Skip to main content

টেস্টোস্টেরন হরমোন কমে গেলে পুরুষের যে সকল সমস্যা হয়

 




টেস্টোস্টেরন হরমোন কমে গেলে পুরুষের যে সকল সমস্যা হয়:


টেস্টোস্টেরন হরমোনের অভাবে পুরুষের যৌন চাহিদা, মানসিক শক্তি ইত্যাদি ক্রমশ পরিবর্তিত হতে থাকে। টেস্টোস্টেরন হরমোনের মাত্রা কমে গেলে নানা রকম লক্ষণ-উপসর্গ দেখা যায়।  


১. পুরুষের স্বাভাবিক যৌনাচরণের পরিবর্তন। অনেকের অণ্ডকোষ দুটি আকারে-আকৃতিতে ছোট হয়ে যায় এবং যৌন দুর্বলতা দেখা দেয়।


২. মানসিক পরিবর্তন: কর্মস্পৃহা অনেক কমে যায়। কাজের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলার পাশাপাশি অনেকে আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেন। যৌবনের যে উৎসাহ-উদ্দীপনা, মনের জোর,সব জয় করার এক উদগ্র বাসনা,টেস্টোস্টেরনের পরিমাণ কমার ফলে তা কোথায় যেন উবে যায়।  অনেকে কোনো কাজে একভাবে মনঃসংযোগ করতে পারেন না,স্মৃতিশক্তি ক্ষীণ হয়ে আসে এমনকি অনেকে বিভিন্ন মাত্রার বিষণ্ণতায় ভুগতে পারেন।


অনেক সময় অন্যান্য শারীরিক অসুখ যেমন- থাইরয়েড গ্রন্থির সমস্যা, বিষণ্ণতা রোগ, অতিরিক্ত মদ্যপান ইত্যাদি কিংবা ওষুধ সেবনের পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া হিসাবেও এ রকম হতে পারে। সুতরাং একজন চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া যুক্তিসঙ্গত।


৩.পুরুষের পরিণত বয়সে টেস্টোস্টেরন কমে যাওয়ার ফলে পুরুষত্বের ইতি বা অ্যান্ড্রোপজও কোনো অসুখ নয়। এটি জীবনের একটি পরিবর্তিত ধাপ বা পর্যায় মাত্র। এটাকে স্বাভাবিকভাবে মেনে নিয়ে জীবনের এই নতুন পর্যায়টিকে উপভোগ করা এবং আনন্দমুখর করে তোলা লক্ষ্য হওয়া উচিত। শেষ বয়সে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় পুনরায় টেস্টোস্টেরন তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তবে কতগুলো বিষয় খেয়াল রাখা উপকারী


৪.চিকিৎসকের সঙ্গে এ বিষয়ে সরাসরি কথা বলা উত্তম। সমস্যাগুলো যদি বয়স বাড়ার কারণে না হয়ে অন্য কোনো অসুখ-বিসুখ কিংবা ওষুধের পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়ার কারণে হয় তাহলে তার সমাধান করা যেতে পারে।


৫. জীবনাচরণ সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। যেমন- স্বাস্থ্যকর এবং পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ, নিয়মিত ব্যায়াম ও শরীর চর্চা করা ইত্যাদি। সুস্থ জীবনাচরণ শারীরিক শক্তি ও মানসিক উদ্দীপনা বৃদ্ধির জন্য সহায়ক।


৬.টেস্টোস্টেরনের মাত্রা কমে গেলে পুরুষের কর্মস্পৃহা, মানসিক উৎসাহ-উদ্দীপনা হ্রাস পায়। বিষণ্ণতার কারণে অনেকের মেজাজ খিট খিটে হয়ে যায়, নিঃসঙ্গ থাকতে পছন্দ করেন এবং সামাজিক কর্ম থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেন। অনেক সময় মাত্রাতিরিক্ত কাজ করার প্রবণতা, অতিরিক্ত নেশা করা কিংবা বিপজ্জনক কাজকর্ম করাও বিষণ্ণতার কারণে হতে পারে।


*ডাক্তারের পরামর্শের জন্য কল করুন সকাল ৯ টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত।


*যোগাযোগের মোবাইল নাম্বার: 01614-167677, 01616-045632 (অনলাইনে রোগী দেখা হয় এবং ওষুধ কুরিয়ার করে নেওয়ার সারা বাংলাদেশে সুব্যাবস্থা আছে)


*চেম্বারের ঠিকানা:১২৮২ নং বিল্ডিং,মেট্রোরেল পিলার নং ২৬৬ বরাবর পূর্ব মনিপুর,বেগম রোকেয়া স্মরণী রোড, মিরপুর১০, ঢাকা১২১৬

Comments

Popular posts from this blog

কেন পুরুষের দুর্বলতা?

  বিবাহিত পুরুষের জীবনে অনেক পরিবর্তন আসে। বেড়ে যায় কাজ এবং  দায়িত্বও। তাই অতিরিক্ত কাজ করে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে শারীরিক ক্লান্তি আসলে চলবে না। পুরুষত্বহীনতা বা পুরুষের শারীরিক অক্ষমতা বা দুর্বলতা সমাজে প্রকট আকার ধারণ করেছে।    এতে উঠতি বয়সের যুবকরা এতে হতাশ। ফলে অভিভাবকরা বেশ দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। স্বামী হিসেবে স্ত্রীর সব চাহিদা পূরণ করার দায়িত্বও থাকে। তাই এ সময় প্রতিটি বিবাহিত পুরুষেরই নিজেদের প্রতি যত্নশীল হতে হবে।    পুরুষত্বহীনতা : এটি পুরুষের যৌনকার্যে অক্ষমতাকে বুঝায়।   শ্রেণীবিভাগ : পুরুষত্বহীনতাকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়-      * ইরেকশন ফেইলিউর : পুরুষ লিঙ্গের উত্থানে ব্যর্থতা। * পোনিট্রেশন ফেইলিউর : লিঙ্গের যোনিদ্বার ছেদনে ব্যর্থতা। * প্রি-ম্যাচুর ইজাকুলেশন : সহবাসে দ্রুত বীর্য-স্খলন তথা স্থায়ীত্বের অভাব।   প্রধান কারণ হলো-   * বয়সের পার্থক্য * পার্টনারকে অপছন্দ (দেহ-সৌষ্ঠব, ত্বক ও মুখশ্রী) * দুশ্চিন্তা, টেনশন ও অবসাদ বা ডায়াবেটিস * যৌনবাহিত রোগ (সিফিলিস, গনোরিয়া) * রক্তে সেক্স-হরমোনের ভারসাম্যহীনতা * যৌনরোগ বা...

সঙ্গমকালে লিঙ্গ শক্ত না হওয়ার কারন ও সমাধান ( Best Sexologist in Dhaka Near Me )

      যৌন উত্তেজনা কালে বা যৌনতা বিষয়ক চিন্তা ভবনা করা কালে লিঙ্গ শক্ত না হওয়া সমস্যাটি অনেকেরই আছে। হতে পারে এটা তার মনের দুর্বলতা, হতে পারে এটা তার কোন শরীরিক সমস্যা। অনেকই লিঙ্গ ঠিকমত শক্ত না হওয়ার সমস্যায় ভুগছেন। লিঙ্গ শক্ত হয় না তার কারন কি? ( Cure Point Consultancy )   বিয়ের পর অনেকেরই লিঙ্গ উত্তেজনা সংক্রান্ত এমন সমস্যা হয়ে থাকে, ওটা নিয়ে অধিক চিন্তার কোন কারণ নেই, দুশ্চিন্তা পরিত্যাগ করে স্বাভাবিক জীবন যাপন করুন দেখবেন সব ঠিক হয়ে যাবে। লিঙ্গ শক্ত বা উত্তেজিত হচ্ছেনা কেন এটা ভাবতে থাকলে তো আপনার মনে যৌন উত্তেজনাই আসবেনা।   লিঙ্গ উত্তেজিত করার চেষ্টা পরিত্যাগ করুন। মনে যৌন উত্তেজনা এলে লিঙ্গ নিজে থেকেই শক্ততা প্রাপ্ত হয়ে উঠবে।    রাতে ঘুমের মাঝে বা সকালে ঘুম ভাঙ্গার সময় মাঝে মাঝে কি আপনার লিঙ্গ উত্তেজিত বা শক্ত হয়? যদি তাই হয় তো আপনার শারীরিক কোন সমস্যা নেই। এমন না হলেও অনেক ক্ষেত্রেই উত্তেজনার সমস্যার কারণ মূলত মানসিক। তাই আনন্দে থাকার চেষ্টা করুন। বৌকে ভালাবাসুন। এছাড়াও রোজ শারীরিক এক্সারসাইজ করুন ও ঠিকঠাক খাওয়া-দাওয়া করুন। এক্সারসা...

যৌন মিলনের যত উপকারিতা

  নিয়মিত যৌন মিলনের অনেক উপকারিতা রয়েছে। নিয়মিত মিলনে কমবে ক্লান্তি, দুশ্চিন্তা, মেদ। আর উপহার দেবে আরামের ঘুম। সেই সঙ্গে আপনার মন ও মেজাজকে করবে ফুরফুরে। ১। সেক্স চাপ মুক্তি ঘটায়: হ্যাঁ, এটাই সত্যি৷ বায়োলজিক্যাল পার্সপেক্টিভ জার্নালের একটি স্টাডি বলছে, বিভিন্ন বয়সের বেশ কয়েকজন ব্যক্তিকে কিছু চাপের টাস্ক দেওয়া হয়৷ দেখা যায়, কাজটি করার আগে যাঁরা ইন্টারকোর্স বা মিলনে যুক্ত হয়েছেন তাঁরা অনেকটাই স্ট্রেস ফ্রি হয়েছেন। তাদের মনেও আসে ফূর্তি৷ সেই সঙ্গে কমে যায় অবসাদও। ২। মিলন মনের ফূর্তির অন্যতম রসদ: যাঁরা মিলনে লিপ্ত হন তাঁরা ফূর্তিতে থাকেন। ফলে তাঁদের সঙ্গে অন্য কেউ কথা বলেও আরাম পান। একটি পজিটিভ ভাইব্রেশন থাকে তার মধ্যে। ৩। ব্যথার উপশমেও মিলনের গুরুত্ব: শরীরের ব্যথা কমাতে মিলনের গুরুত্ব দারুণ। নিয়মিত যাঁরা ইন্টারকোর্স করেন, তাঁদের শরীরে ব্যথা কম হয়। ব্যথা সারিয়েও দেয় সেক্স। ৪। যৌনতা রক্তচাপ ঠিক রাখার জন্য ভালো। ৫৭ থেকে ৮৫ বছর বয়সে যৌনতায় সক্রিয় নারীরা উচ্চরক্তচাপে ভোগেন না। জার্নাল অফ হেলথ অ্যান্ড সোশাল বিহেভিওর এ প্রকাশিত এক গবেষণায় এমনটাই বলা হয়েছে। পাশাপাশি একটি ট্রোজান এ...