Skip to main content

ধ্বজভঙ্গ পুরুষের পরিচয়

 




ধ্বজভঙ্গ রোগের অনেক কারণ থাকলেও এ রোগের চিকিৎসা সম্ভব। চিকিৎসার মাধ্যমে পূর্ণসুস্থতা লাভ সম্ভব।

ধ্বজভঙ্গ রোগ চেনার উপায়:

যেসব পুরুষদের বীর্য খুব কম সৃষ্টি হয়। আর যেটুকু সৃষ্টি হয়, তাও আবার পাতলা। মজা স্বাদ অনুভব করা ছাড়াই এমনকি পুরুষাঙ্গ দাঁড়ানো ব্যতীতই বীর্যপাত হয়ে যায়। ক্রমান্বয়ে পুরুষাঙ্গ চিকন ও নিস্তেজ হতে থাকে। ঠাণ্ডা পানির ছোঁয়া পেলে তা সংকোচিত হয় না। কারণ পুরুষাঙ্গ আগে থেকেই সংকোচিত হয়ে আসে। পুরুষাঙ্গ যদি একেবারেই না দাঁড়ায়, শত চেষ্টা করে যদি দাঁড় করানো সম্ভব না হয় বরং পূর্বেই হালতেই থাকে এবং এ হালত দীর্ঘদিন যাবত হয়ে থাকে, তাহলে এসব রোগীর চিকিৎসা সম্ভব। তারা সুস্থ হবে ইনশাআল্লাহ।
এ রোগ ভনায়ক কঠিন, এ রোগ যার হয়েছে সব সময় সে চিন্তা ও টেনশনে ভোগে। ধ্বজভঙ্গ হলে সংসার করা তাঁর পক্ষে দুস্কর হয়ে পড়ে, স্ত্রী সহবাসে ও সন্তানের মুখ দর্শনে বঞ্চিত হয়। পুরুষের পক্ষে ধ্বজভঙ্গ কি কঠিন ও ভয়ংকর রোগ তা বর্ণনা করা দুঃসাধ্য। ধ্বজভঙ্গের লক্ষণ-ইন্দ্রিয় শৈথিল্য, পুরুষত্বহীন, স্ত্রী গমনে অক্ষমতা, শরীরের দুর্বলতা হয়।

পুরুষাঙ্গে উত্তেজনার অভাব, উত্তেজনাহীনতা বা সল্পতা হেতু রতি শক্তির অভাবকেই ধ্বজভঙ্গ (Impotence) বলা হয়ে থাকে। ইহাতে পুরুষদের রতি ক্রিয়ার আংশিক বা সম্পূর্ণ সামর্থহীনতার ভাব প্রকাশ পায় এবং এ সমস্যায় পুরুষের পৌরষত্ব ভাব ধীরে দিরে লোপ পায়।

যে কোনো যৌন সমস্যার স্থায়ী সমাধানে কিউর পয়েন্ট ( Cure Point Consultancy )আছে আপনার পাশে । সুতরাং আর দেরী না করে আজই যোগাযোগ করুন।

ডাক্তার এপয়েন্টমেন্ট: 01614-167677, 01616-045632 (সরাসরি অথবা অনলাইনে রোগী দেখা হয়)

আমাদের ঠিকানা: ১২৮২ পূর্ব মনিপুর, Opposite-আল হেলাল হাসপাতাল, বেগম রোকেয়া স্মরণী রোড, মিরপুর, ঢাকা - ১২১৬

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ সারাদেশে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে বিশ্বস্ততার সাথে ঔষধ ডেলিভারী দেওয়া হয়।

Comments

Popular posts from this blog

কেন পুরুষের দুর্বলতা?

  বিবাহিত পুরুষের জীবনে অনেক পরিবর্তন আসে। বেড়ে যায় কাজ এবং  দায়িত্বও। তাই অতিরিক্ত কাজ করে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে শারীরিক ক্লান্তি আসলে চলবে না। পুরুষত্বহীনতা বা পুরুষের শারীরিক অক্ষমতা বা দুর্বলতা সমাজে প্রকট আকার ধারণ করেছে।    এতে উঠতি বয়সের যুবকরা এতে হতাশ। ফলে অভিভাবকরা বেশ দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। স্বামী হিসেবে স্ত্রীর সব চাহিদা পূরণ করার দায়িত্বও থাকে। তাই এ সময় প্রতিটি বিবাহিত পুরুষেরই নিজেদের প্রতি যত্নশীল হতে হবে।    পুরুষত্বহীনতা : এটি পুরুষের যৌনকার্যে অক্ষমতাকে বুঝায়।   শ্রেণীবিভাগ : পুরুষত্বহীনতাকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়-      * ইরেকশন ফেইলিউর : পুরুষ লিঙ্গের উত্থানে ব্যর্থতা। * পোনিট্রেশন ফেইলিউর : লিঙ্গের যোনিদ্বার ছেদনে ব্যর্থতা। * প্রি-ম্যাচুর ইজাকুলেশন : সহবাসে দ্রুত বীর্য-স্খলন তথা স্থায়ীত্বের অভাব।   প্রধান কারণ হলো-   * বয়সের পার্থক্য * পার্টনারকে অপছন্দ (দেহ-সৌষ্ঠব, ত্বক ও মুখশ্রী) * দুশ্চিন্তা, টেনশন ও অবসাদ বা ডায়াবেটিস * যৌনবাহিত রোগ (সিফিলিস, গনোরিয়া) * রক্তে সেক্স-হরমোনের ভারসাম্যহীনতা * যৌনরোগ বা...

যৌন জীবনে জটিলতা ডায়াবেটিসের কারণে?

    ডায়াবেটিস একটি সাধারণ অবস্থা যা বিশ্বব্যাপী প্রায় 246 মিলিয়ন মানুষকে প্রভাবিত করেছে এবং আগামী বছরগুলিতে আরও বেশি মানুষকে প্রভাবিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই দীর্ঘস্থায়ী অবস্থার ফলে বহু দীর্ঘমেয়াদী এবং স্বল্পমেয়াদী জটিলতা দেখা দিতে পারে।   ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের মধ্যে ব্লাড সুগারের অনিয়ন্ত্রিত মাত্রা পুরুষ এবং মহিলা উভয়েরই শরীরের বিভিন্ন অংশে যেমন নার্ভ থেকে শুরু করে যৌন অঙ্গগুলির মধ্যে প্রভাব ফেলতে পারে। বেশ কয়েকটি গবেষণায় দেখা গেছে, যে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে সাধারণত ত্রুটিপূর্ণ যৌনক্রিয়া দেখা যায়।   ত্রুটিপূর্ণ যৌনক্রিয়া কি?   ত্রুটিপূর্ণ যৌনক্রিয়া এমন একটি সমস্যা যা যে কোনও সময় ঘটতে পারে।সেটা যৌন উত্তেজনার মাঝেও হতে পারে অথবা যৌন ক্রিয়ার সমাপ্তিতেও হতে পারে এবং এর ফলে যৌন তৃপ্তির ক্ষেত্রে অসম্পূর্ণতা থেকে যেতে পারে। ত্রুটিপূর্ণ যৌনক্রিয়ার অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে:   ১.যৌন সম্পর্কে আগ্রহের অভাব ২.যৌন উত্তেজনায় অক্ষমতা ৩.সহবাসের সময় চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছাতে ব্যর্থতা বা বিলম্ব ৪.সহবাসের সময় ব্যথা অনুভব করা   যে কোনো যৌন...

যৌনরোগ থেকে সুরক্ষিত থাকুন

  সারা পৃথিবী জুড়ে প্রায়  দশ লক্ষেরও বেশি মানুষ যৌনরোগ বা সংক্রমণে আক্রান্ত । এসটিডি বা সেক্সুয়ালি ট্রান্সমিটেড ডিজ়িজ বা যৌনরোগ মানে শুধু এইচআইভি বা এইডস নয়। এই তালিকায় রয়েছে গনোরিয়া, ক্ল্যামাইডিয়া, সিফিলিসের মতো আরও অনেক রোগ যা অসুরক্ষিত যৌন সংসর্গ থেকে ছড়ায়। যথাসময়ে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা না হলে এ সব সংক্রমণ শরীরের মারাত্মক ক্ষতি করে দিতে পারে।     যৌন সম্পর্ক সুরক্ষিত রাখুন:   যে কোনও ধরনের এসটিডি এড়াতে হলে অসুরক্ষিত যৌন সম্পর্কে কখনও জড়াবেন না। ওরাল, ভ্যাজাইনাল বা অ্যানাল, যে কোনওভাবেই যৌনরোগ ছড়াতে পারে।    নিজের ও আপনার পার্টনারের রক্ত পরীক্ষা করান:   অনেক সময় যৌনরোগ হলেও তার কোনও লক্ষণ শরীরে ধরা পড়ে না। অজান্তেই যৌনরোগ শরীরে বাসা বাঁধছে কিনা জানার জন্য নিয়মিত নিজের ও পার্টনারের চেকআপ করান। প্রাথমিক অবস্থায় সংক্রমণ ধরা পড়লে তা অ্যান্টিবায়োটিকেই সেরে যায়। অতিরিক্ত ভ্যাজাইনাল ডিসচার্জ, যৌনাঙ্গে আলসার, বাথরুমে যাওয়ার সময় বা ইন্টারকোর্সের সময় ব্যথা, এ সবই যৌনরোগের সাধারণ লক্ষণ।   কিছু সংক্রমণ/রোগ প্রাণঘাতীও হতে পারে:   কিছু যৌনর...