Skip to main content

যৌন জীবনে সমস্যা? সমাধান করতে বেছে নিন এই পদ্ধতিগুলি ( Best Sexologist in Dhaka Near Me )

 



প্রত্যেক মানুষের সুখী দাম্পত্য জীবনের জন্য স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ভালো বোঝা-পড়া থাকার পাশাপাশি দরকার স্বাস্থ্যকর যৌন জীবন যা একটি সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যেতে খুবই কার্যকর। অথচ প্রায়ই দেখা যায় যৌন সমস্যার কারণে শুরু হয় সংসারে অশান্তি, পরবর্তীকালে যার পরিণতি গিয়ে দাঁড়ায় বিচ্ছেদে। Best Sexologist in Dhaka Near Me

অনেক সময় আপনি অনুভব করতে পারেন যে, আপনার যৌন জীবনে কিছু ঘাটতি রয়েছে। কখনও যদি সত্যিই কিছু ঘাটতি অনুভব করেন তবে তা পূরণ করতে প্রয়োজন কিছু পরিবর্তন ও কিছু প্রচেষ্টার।
১) যৌনতা সম্পর্কে কথা না বলা প্রথমেই আপনাকে বুঝতে হবে যে, কেউ কারও মনের কথা পড়তে পারে না। যদি কখনও আপনি মনে করেন যে, আপনার সঙ্গী আপনার যৌন আকাঙ্ক্ষাগুলি সম্পর্কে অবগত, তবে আপনি ভুল ভাবছেন। এক্ষেত্রে, আপনি এবং আপনার সঙ্গী দুজনে মিলে একে অপরের ইচ্ছা এবং কল্পনাগুলি নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করতে পারেন। যদি দেখেন যে, আপনার সঙ্গী কোনও একটি ক্ষেত্রে অক্ষম তবে, আলোচনার মাধ্যমে সেই বিষয় সম্পর্কে তাকে স্বচ্ছন্দ করে তুলতে পারেন। এভাবে পারস্পারিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে নিজেদের যৌন জীবনকে স্বচ্ছন্দময় করে তুলুন এবং একটি সুন্দর জীবন অতিবাহিত করুন।
২) সর্বদা এক পক্ষের আগ্রহ আপনি যদি কখনও অনুভব করেন যে, সর্বদা আপনার পক্ষ থেকেই যৌনতার ইঙ্গিত প্রেরিত হচ্ছে এবং অপর পক্ষের ব্যক্তি যৌনতায় কোনও প্রকার আগ্রহ প্রকাশ করছে না, সেক্ষেত্রে আপনার যৌন জীবনে পরিবর্তন আনার এটিই ভাল সময়। Best Sexologist in Dhaka Near Me
আপনাদের বুঝতে হবে যে, যদি আপনারা উভয়েই সমানভাবে যৌন সম্পর্কে জড়িত থাকেন, তবেই এটি আপনার সম্পর্কের উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই একে অপরের প্রয়োজনীয়তা এবং আকাঙ্ক্ষাগুলি সম্পর্কে অবগত হন এবং তা অনুসরণ করে সুস্থ যৌন জীবন যাপনের উপায় তৈরি করুন।
৩) ফোরপ্লে-এর অভাব ফোরপ্লে ব্যতীত যৌনতা মাঝে মধ্যেই বিরক্তিকর হয়ে ওঠে। যখন উভয়ের মধ্যে সময়ের অভাব থাকে তখন ফোরপ্লে ব্যতীত যৌনতা উত্তেজনাপূর্ণ এবং সন্তোষজনক হতে পারে। কিন্তু দুজনের প্রচুর সময় থাকা সত্ত্বেও যদি একই জিনিসের পুনরাবৃত্তি ঘটে তখন তা সুস্থ যৌনতার ক্ষেত্রে খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে। আপনি যদি ভাবেন যে, ফোরপ্লে আনন্দ এবং সন্তুষ্টির জন্য সঠিক নয় তবে, আপনি ভুল ভাবতে পারেন। আপনার সঙ্গী কী পছন্দ করে তা জানার একমাত্র উপায় ফোরপ্লে। এছাড়াও, সরাসরি যৌনতায় লিপ্ত না হয়েও মানসিক দিক থেকে এটি আপনাকে সন্তুষ্ট করতে পারে এবং এটি আপনার সঙ্গীর সাথে আরও গভীর সংযোগ স্থাপনে সহায়তা করতে পারে। Best Sexologist in Dhaka Near Me
৪) যৌনতার পরে দূরে থাকা বা শান্ত হয়ে যাওয়া যদি এই লক্ষণটি আপনার ক্ষেত্রে হয়, তবে সুস্থ যৌন জীবন যাপনের ক্ষেত্রে ইতিমধ্যেই এর পরিবর্তন আনার প্রয়োজন আছে। প্রেম করার পরে, পিছন ফিরে না ঘুমানোর চেষ্টা করুন। কারণ এর ফলে, আপনার সঙ্গীর মনে অবহেলিত এবং বঞ্চিত বোধের জন্ম নেয়।
এক্ষেত্রে, যৌন সম্পর্কের পর আপনার সঙ্গীকে Best Sexologist in Dhaka Near Me জড়িয়ে ধরে তাকে ভালবাসার অনুভুতি দিন, যা পরবর্তীকালে আপনাদের জীবনে রোম্যান্সকে বাড়িয়ে তুলবে। এছাড়াও, আপনাদের মধ্যে একটি গভীর সংবেদনশীল বন্ধন থাকবে এবং এটি যৌন জীবনকে সুস্থভাবে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
৫) একে অপরকে দোষারোপ করা অনেক সময় দম্পতিদের মধ্যে যৌন জীবনে কোনও উত্তেজনা না থাকার জন্য সঙ্গীর উপর দোষ চাপাতে দেখা যায়। নিজের অসন্তুষ্টির কারণ হিসেবে সঙ্গীকেই দোষারোপ করে থাকি আমরা। কিন্তু, এটি করা উচিত নয়, দোষারোপ করা থেকে এড়াতে হবে। কারণ, এটি আপনাদের যৌনজীবন এবং সম্পর্কে খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে। Best Sexologist in Dhaka Near Me আপনাদের উভয়কেই বুঝতে হবে যে, যৌন সম্পর্কে আপনারা দুজনেই জড়িত। ফলে, পুরো দোষটি একজন ব্যক্তির উপর চাপিয়ে দেওয়ার কোনও মানে হয় না। সঙ্গীর সাথে যৌনতা সম্পর্কে সৎ কথোপকথনের মাধ্যমে সমস্যাগুলি সমাধান করতে চেষ্টা করুন। হারিয়ে যাওয়া যৌন জীবনের সম্পর্ককে ফিরিয়ে আনতে চেষ্টা করুন। খুঁজে বার করুন আরও উৎসাহীপূর্ণ কিছু সঠিক উপায়।


Comments

Popular posts from this blog

কেন পুরুষের দুর্বলতা?

  বিবাহিত পুরুষের জীবনে অনেক পরিবর্তন আসে। বেড়ে যায় কাজ এবং  দায়িত্বও। তাই অতিরিক্ত কাজ করে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে শারীরিক ক্লান্তি আসলে চলবে না। পুরুষত্বহীনতা বা পুরুষের শারীরিক অক্ষমতা বা দুর্বলতা সমাজে প্রকট আকার ধারণ করেছে।    এতে উঠতি বয়সের যুবকরা এতে হতাশ। ফলে অভিভাবকরা বেশ দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। স্বামী হিসেবে স্ত্রীর সব চাহিদা পূরণ করার দায়িত্বও থাকে। তাই এ সময় প্রতিটি বিবাহিত পুরুষেরই নিজেদের প্রতি যত্নশীল হতে হবে।    পুরুষত্বহীনতা : এটি পুরুষের যৌনকার্যে অক্ষমতাকে বুঝায়।   শ্রেণীবিভাগ : পুরুষত্বহীনতাকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়-      * ইরেকশন ফেইলিউর : পুরুষ লিঙ্গের উত্থানে ব্যর্থতা। * পোনিট্রেশন ফেইলিউর : লিঙ্গের যোনিদ্বার ছেদনে ব্যর্থতা। * প্রি-ম্যাচুর ইজাকুলেশন : সহবাসে দ্রুত বীর্য-স্খলন তথা স্থায়ীত্বের অভাব।   প্রধান কারণ হলো-   * বয়সের পার্থক্য * পার্টনারকে অপছন্দ (দেহ-সৌষ্ঠব, ত্বক ও মুখশ্রী) * দুশ্চিন্তা, টেনশন ও অবসাদ বা ডায়াবেটিস * যৌনবাহিত রোগ (সিফিলিস, গনোরিয়া) * রক্তে সেক্স-হরমোনের ভারসাম্যহীনতা * যৌনরোগ বা...

কী কী কারণে যৌন মিলনে ভয় পান মেয়েরা

  সারা দিনে নানারকম চাপ নিতে নিতে ক্লান্ত শরীর-মন মুক্তি খোঁজে বিছানায়। প্রিয় মানুষটির সান্নিধ্যে, ঘনিষ্ঠতায় মনের ক্লান্তি দূর হয়ে যায়। চিকিৎসক ও মনোবিজ্ঞানীরাও বলেন, শারীরিক সম্পর্ক শরীর-মনের ক্লান্তি দূর করতে সক্ষম। কিন্তু যদি পরিস্থিতিটাই উলটো হয়? যদি শারীরিক সম্পর্কের কথা ভাবলেই একটা নতুন স্ট্রেস তৈরি হয় মনে? এমন অনেক মেয়ে আছেন যাঁরা বিছানায় স্বামী বা পার্টনারের সঙ্গে শারীরিক ঘনিষ্ঠতার কথা ভেবেই টেনশনে ভুগতে থাকেন! বিশেষজ্ঞেরা বলছেন, আসলে তাঁদের মাথায় এমন অনেক স্ট্রেস ফ্যাক্টর কাজ করতে থাকে যার ফলে তাঁরা আর শারীরিক ঘনিষ্ঠতা বা যৌনতার মজাটা উপভোগই করতে পারেন না। ব্যথা হওয়ার ভয়: সেক্স করলে অনেক মেয়েই ব্যথা পাওয়ার কথা বলেন। তা ছাড়া যথেষ্ট ফোরপ্লে না করলে বা যৌনমিলনেই অনীহা থাকলে ভ্যাজাইনা যথেষ্ট লুব্রিকেটেড থাকে না বলে ব্যথা লাগতে পারে। ফলে অনেক মেয়ে যৌন সম্পর্কের পরিস্থিতি তৈরি হলেই আড়ষ্ট হয়ে যান। শারীরিক গঠন নিয়ে সংকোচ: বহু মেয়ে নিজেদের শারীরিক গঠন নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন। শরীর নিয়ে অস্বস্তি, শারীরিক সৌষ্ঠব সঙ্গীর পছন্দ হবে কিনা, তা নিয়ে তাঁদের মনে সংশয় থাকে। ফলে সেক্স নিয়ে...

হস্তমৈথুন করে বীর্য আটকে রাখলে কি হয় ?

  যে সকল ছেলেরা হাত দ্বারা মৈথুন করেন কিংবা শরীর থেকে শুক্রাণু বের করে, তারা অনেকেই হাত দ্বারা মৈথুন করলে শরীরে কি কি ক্ষতি হতে পারে সকল বিষয়ে অবগত নয় বা বেশি কিছু জানে না। আর সঠিক যৌন শিক্ষা কিংবা যৌণতা সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান না থাকার কারণে এবং ছেলেরা মনে করে শুধুমাত্র হাত দ্বারা মৈথুন করে শরীর থেকে শুক্রাণু বের করলেই এটা শরীরের জন্য ক্ষতি। তাই অনেকে হাত দ্বারা মৈথুন করে ঠিকই কিন্তু শরীর থেকে শুক্রাণু বের করে না।   তারা মনে করে শরীর থেকে শুক্রাণু বের না করলে তাদের শরীরের আর অন্যান্য কোন ক্ষতি হবে না। আসলে এই বিষয়টা প্রত্যেকটা অবিবাহিত ছেলেদের জেনে রাখা প্রয়োজন, কেননা প্রত্যেকটি ছেলে কখনও না কখনও হাত ধরে মৈথুন করে এভাবে শরীর থেকে শুক্রাণু বের করতে থাকে।   কোন ছেলে প্রতিদিন তিন চার বার তো দূরের কথা একবার যদি হাত দ্বারা হস্তমৈথুন করে তাহলে ভবিষ্যতে তার লিঙ্গে নানা রকম সমস্যা দেখা দিবে। হস্তমৈথুনের পরে সে বীর্যপাত করুক বা না করুক ক্ষতি যা হবার তা তো হবেই।একটি ছেলে সে যখন হস্তমৈথুন করে বা তার লিঙ্গের ঘষাঘষি করে বা চাপ দেয় ঠিক একইভাবে বিছানায় ঘষাঘষি করে হস্তমৈথুন করে তখনো ক...