Skip to main content

অনিয়ন্ত্রিত বীর্যপাত কী?

 



অনিয়ন্ত্রিত বীর্যপাত কী? অনিয়ন্ত্রিত বীর্যপাতের কয়েকটি ধরণ রয়েছে। যেমন:
দ্রুত বীর্যপাত: পেনিট্রেশন বা সঙ্গম শুরুর আগেই বা কিছুক্ষণ পরই বীর্যপাত হয়ে যাওয়াকেই দ্রুত বা অকাল বীর্যপাত বলা হয়।
মন্থর বীর্যপাত: খুবই মন্থর বীর্যপাত হওয়া বা বীর্যপাতের ইচ্ছা না জাগাই এ ধরণের সমস্যা।
বিপরীতমুখী বীর্যপাত: পুরুষের বীর্যপাতের সময় বীর্য মূত্রনালি দিয়ে বের হয়ে আসে। তবে যৌন সমস্যার কারণে যদি মূত্রনালি দিয়ে বীর্য বেরিয়ে না এসে উল্টো চলে যায় অর্থাৎ মূত্রথলিতে প্রবেশ করে তবে তাকে বিপরীতমুখী বীর্যপাত বলে।
কিছু ক্ষেত্রে অকাল ও দ্রুত বীর্যপাত ঘটে মানসিক কারণে। যৌনতা সম্পর্কে অপরাধবোধে ভোগা যেমন কঠোর ধর্মীয় অনুশাসনে যারা বড় হয়েছেন তারা অনেকেই যৌনতাকে পাপ মনে করেন। তাদের ক্ষেত্রে এমনটা হতে পারে। এছাড়া সঙ্গীর প্রতি কম আকর্ষণ অনুভব এবং অতীতের কোনো সেক্সুয়াল ট্রমার কারণেও এমনটা হতে পারে। পুরুষের সবচেয়ে বেশি যে সমস্যাটি হয় তা হলো অকাল বীর্যপাত। সঙ্গমে নিজের সক্ষমতা বা ভালো সঙ্গম করার জন্য অতিমাত্রার তাগিদ থেকেও এমনটা হয়ে থাকে। এছাড়া কিছু ড্রাগস নেওয়ার কারণেও এমনটা হতে পারে।
সাধারণত যারা ডায়াবেটিক রোগে ভোগেন তাদের মধ্যে বিপরীতমুখী বীর্যপাতের সমস্যা দেখা যায়। ডায়াবেটিসের কারণে স্নায়ু ধীরে ধীরে কর্মক্ষমতা হারায়। মুত্রথলীর স্নায়ু দুর্বল বা কর্মক্ষমতা যদি হারায় তবে এই সমস্যায় ভুগে থাকেন পুরুষরা। ডায়াবেটিক ছাড়া যাদের এ সমস্যা হয় তাদের সাধারণত ব্লাডার নেকে বা পাকস্থলীতে অস্ত্রোপচারের কারণে হয়ে থাকে। এছাড়া কিছু ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া এটা হতে পারে যেমন ক্রোধ সংবরণের জন্য ঔষধ গ্রহণের কারণে এমনটা ঘটতে পারে।
যে কোনো যৌন সমস্যার সমাধানে পরামর্শ এর জন্য ফোন করতে পারেন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত।
ডাক্তার এপয়েন্টমেন্ট: 01614-167677, 01616-045632 (সরাসরি অথবা অনলাইনে রোগী দেখা হয়)। এই দুইটা নাম্বার ছাড়া আর কোনো নাম্বার নেই। সুতরাং অন্য কোনো নাম্বার থেকে সেবা নিয়ে প্রতারিত হবেন না।
আমাদের ঠিকানা: ১২৮২ নং বিল্ডিং,মেট্রোরেল পিলার নং ২৬৬ বরাবর পূর্ব মনিপুর,বেগম রোকেয়া স্মরণী রোড, মিরপুর ১০, ঢাকা ১২১৬

Comments

Popular posts from this blog

কেন পুরুষের দুর্বলতা?

  বিবাহিত পুরুষের জীবনে অনেক পরিবর্তন আসে। বেড়ে যায় কাজ এবং  দায়িত্বও। তাই অতিরিক্ত কাজ করে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে শারীরিক ক্লান্তি আসলে চলবে না। পুরুষত্বহীনতা বা পুরুষের শারীরিক অক্ষমতা বা দুর্বলতা সমাজে প্রকট আকার ধারণ করেছে।    এতে উঠতি বয়সের যুবকরা এতে হতাশ। ফলে অভিভাবকরা বেশ দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। স্বামী হিসেবে স্ত্রীর সব চাহিদা পূরণ করার দায়িত্বও থাকে। তাই এ সময় প্রতিটি বিবাহিত পুরুষেরই নিজেদের প্রতি যত্নশীল হতে হবে।    পুরুষত্বহীনতা : এটি পুরুষের যৌনকার্যে অক্ষমতাকে বুঝায়।   শ্রেণীবিভাগ : পুরুষত্বহীনতাকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়-      * ইরেকশন ফেইলিউর : পুরুষ লিঙ্গের উত্থানে ব্যর্থতা। * পোনিট্রেশন ফেইলিউর : লিঙ্গের যোনিদ্বার ছেদনে ব্যর্থতা। * প্রি-ম্যাচুর ইজাকুলেশন : সহবাসে দ্রুত বীর্য-স্খলন তথা স্থায়ীত্বের অভাব।   প্রধান কারণ হলো-   * বয়সের পার্থক্য * পার্টনারকে অপছন্দ (দেহ-সৌষ্ঠব, ত্বক ও মুখশ্রী) * দুশ্চিন্তা, টেনশন ও অবসাদ বা ডায়াবেটিস * যৌনবাহিত রোগ (সিফিলিস, গনোরিয়া) * রক্তে সেক্স-হরমোনের ভারসাম্যহীনতা * যৌনরোগ বা...

যৌন জীবনে জটিলতা ডায়াবেটিসের কারণে?

    ডায়াবেটিস একটি সাধারণ অবস্থা যা বিশ্বব্যাপী প্রায় 246 মিলিয়ন মানুষকে প্রভাবিত করেছে এবং আগামী বছরগুলিতে আরও বেশি মানুষকে প্রভাবিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই দীর্ঘস্থায়ী অবস্থার ফলে বহু দীর্ঘমেয়াদী এবং স্বল্পমেয়াদী জটিলতা দেখা দিতে পারে।   ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের মধ্যে ব্লাড সুগারের অনিয়ন্ত্রিত মাত্রা পুরুষ এবং মহিলা উভয়েরই শরীরের বিভিন্ন অংশে যেমন নার্ভ থেকে শুরু করে যৌন অঙ্গগুলির মধ্যে প্রভাব ফেলতে পারে। বেশ কয়েকটি গবেষণায় দেখা গেছে, যে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে সাধারণত ত্রুটিপূর্ণ যৌনক্রিয়া দেখা যায়।   ত্রুটিপূর্ণ যৌনক্রিয়া কি?   ত্রুটিপূর্ণ যৌনক্রিয়া এমন একটি সমস্যা যা যে কোনও সময় ঘটতে পারে।সেটা যৌন উত্তেজনার মাঝেও হতে পারে অথবা যৌন ক্রিয়ার সমাপ্তিতেও হতে পারে এবং এর ফলে যৌন তৃপ্তির ক্ষেত্রে অসম্পূর্ণতা থেকে যেতে পারে। ত্রুটিপূর্ণ যৌনক্রিয়ার অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে:   ১.যৌন সম্পর্কে আগ্রহের অভাব ২.যৌন উত্তেজনায় অক্ষমতা ৩.সহবাসের সময় চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছাতে ব্যর্থতা বা বিলম্ব ৪.সহবাসের সময় ব্যথা অনুভব করা   যে কোনো যৌন...

যৌনরোগ থেকে সুরক্ষিত থাকুন

  সারা পৃথিবী জুড়ে প্রায়  দশ লক্ষেরও বেশি মানুষ যৌনরোগ বা সংক্রমণে আক্রান্ত । এসটিডি বা সেক্সুয়ালি ট্রান্সমিটেড ডিজ়িজ বা যৌনরোগ মানে শুধু এইচআইভি বা এইডস নয়। এই তালিকায় রয়েছে গনোরিয়া, ক্ল্যামাইডিয়া, সিফিলিসের মতো আরও অনেক রোগ যা অসুরক্ষিত যৌন সংসর্গ থেকে ছড়ায়। যথাসময়ে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা না হলে এ সব সংক্রমণ শরীরের মারাত্মক ক্ষতি করে দিতে পারে।     যৌন সম্পর্ক সুরক্ষিত রাখুন:   যে কোনও ধরনের এসটিডি এড়াতে হলে অসুরক্ষিত যৌন সম্পর্কে কখনও জড়াবেন না। ওরাল, ভ্যাজাইনাল বা অ্যানাল, যে কোনওভাবেই যৌনরোগ ছড়াতে পারে।    নিজের ও আপনার পার্টনারের রক্ত পরীক্ষা করান:   অনেক সময় যৌনরোগ হলেও তার কোনও লক্ষণ শরীরে ধরা পড়ে না। অজান্তেই যৌনরোগ শরীরে বাসা বাঁধছে কিনা জানার জন্য নিয়মিত নিজের ও পার্টনারের চেকআপ করান। প্রাথমিক অবস্থায় সংক্রমণ ধরা পড়লে তা অ্যান্টিবায়োটিকেই সেরে যায়। অতিরিক্ত ভ্যাজাইনাল ডিসচার্জ, যৌনাঙ্গে আলসার, বাথরুমে যাওয়ার সময় বা ইন্টারকোর্সের সময় ব্যথা, এ সবই যৌনরোগের সাধারণ লক্ষণ।   কিছু সংক্রমণ/রোগ প্রাণঘাতীও হতে পারে:   কিছু যৌনর...