Skip to main content

কতদিন পর পর সহবাস করা ভালো জেনে নিন

 



একজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ ও একজন প্রাপ্তবয়স্ক নারীর যে কোনও দিন রাতের যে কোনও মুহূর্তে সহবাসের ইচ্ছা জাগতে পারে। এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু কতদিন পর পর সহবাস করা উচিত সেটা কিন্তু আমাদের অনেকের কাছেই অজানা!


আমাদের সকলেরই জানতে ইচ্ছা করে এক মাসে,এক সপ্তাহে বা এক দিনে কতবার সহবাস করা উচিত। এই সব প্রশ্নের উত্তর অবশ্যই প্রত‍্যেকের জানা উচিত। কারণ আপনার বিবাহিত জীবন যতই সুখের হোক, এ সম্পর্কে জ্ঞান না থাকলে পরবর্তী জীবনে আপনি সমস্যায় পড়তে পারেন।


একজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ ও একজন প্রাপ্তবয়স্ক নারী যখন শারীরিক ও মানসিক দিক থেকে ফুরফুরে অবস্থায় থাকেন তখনই তাঁদের মধ্যে শারীরিক মিলন হতে পারে। দু’জনের মধ্যে একজন যদি শারীরিক ও মানসিক দিক থেকে মিলনে আগ্রহী না হন তবে সহবাস না করাই শ্রেয়। সেক্ষেত্রে অনাগ্রহী পার্টনারের শারীরিক ও মানসিক ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়।


যৌনমিলনের হার পুরুষ ও নারীর বয়সের উপর নির্ভর করে। বয়সের সঙ্গে নারী ও পুরুষের যৌনজীবনের সরাসরি সম্পর্ক আছে। বয়স যত বাড়ে যৌনমিলনের হার তত কমে। সদ‍্যবিবাহিত দম্পতিরা প্রথমদিকে দিনে ২ থেকে ৩ বার সহবাস করলেও, কয়েক মাসের মধ্যে যৌনমিলনের হার দিনে এক বার অথবা দু’দিনে এক বারে থিতু হয়।


গবেষণায় দেখা গেছে,


●১৮ থেকে ২৯ বছর বয়সী দম্পতিরা বছরে গড়ে ১১২ বার শারীরিক মিলনে লিপ্ত হন। অর্থাৎ এক সপ্তাহে দু’বারের একটু বেশি।

●৩০ থেকে ৩৯ বছর বয়সী দম্পতিরা বছরে গড়ে ৮৬ বার যৌনমিলন করেন। অর্থাৎ এক মাসে ৭ বার।

● ৫০ থেকে ৫৯ বছর বয়সী দম্পতিরা বছরে ৬৯ বার শারীরিক মিলনে লিপ্ত হন। এঁদের যৌনমিলনের হার গড়ে মাসে ৬ বারের একটু কম।


বিজ্ঞান বলছে-


●যাঁদের বয়স ২০ থেকে ৩০ বছর, তাঁরা সপ্তাহে ৩ বার সহবাস করতে পারেন।

●যাঁদের বয়স ৩০-৪০ বছর তাঁরা সপ্তাহে ২ বার সহবাস করতে পারেন।

●যাঁদের বয়স ৪০-৫০ বছর তাঁরা সপ্তাহে ১ বার করে সহবাস করতে পারেন।

●যাঁদের বয়স ৫০-৬০ বছর, তাঁরা ১৫ দিনে কিংবা ৩০ দিনে ১ বার সহবাস করতে পারেন।


বেশি বয়সেও কেন নিয়মিত সঙ্গম করা উচিত!


●মাত্রাতিরিক্ত সহবাস যেমন ক্ষতিকর আবার কম সহবাসও শরীর ও মনের পক্ষে ততটাই ক্ষতিকারক। যে সব দম্পতি সপ্তাহে অন্তত দুবার সহবাস করেছেন তাঁদের হৃদপিণ্ড অনেক ভালো থাকে, যাঁরা একবারও সহবাস করেননি তাঁদের থেকে ৷


● যাঁরা গবেষণা করেন সেই গবেষকরা জানিয়েছেন, যাঁরা নিয়মিত সহবাস করেন, তাঁদের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। তাই হৃদরোগের সম্ভবনা অনেকটা কম থাকে।


● মানসিক উৎকন্ঠা বা স্ট্রেস থেকে আসে উচ্চ রক্তচাপ, যা হৃদপিণ্ডের পক্ষে চরম ক্ষতিকর৷ মানসিক উৎকন্ঠা হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা অনেকটা বাড়িয়ে দেয়। আর এই মানসিক চাপ কমাতে সেক্সের থেকে ভালো দাওয়াই নেই। এছাড়াও নিয়মিত সহবাস আপনার শরীরকে ফিট করে তোলে, ত্বক উজ্বল করে, ওজন কমায়, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, বার্ধক্য পিছিয়ে দেয়। সহবাসের পর ঘুমও ভালো হয়। ফলে আপনার পুরো শরীর পর্যাপ্ত বিশ্রাম পায় ৷


যে কোনো যৌন সমস্যার স্থায়ী সমাধানে কিউর পয়েন্ট (Cure Point Consultancy) আছে আপনার পাশে। সুতরাং আর দেরী না করে আজই যোগাযোগ করুন।


ডাক্তার এপয়েন্টমেন্ট: 01614-167677, 01616-045632 (সরাসরি অথবা অনলাইনে রোগী দেখা হয়)


আমাদের ঠিকানা: ১২৮২ পূর্ব মনিপুর, Opposite-আল হেলাল হাসপাতাল, বেগম রোকেয়া স্মরণী রোড, মিরপুর, ঢাকা - ১২১৬


বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ সারাদেশে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে বিশ্বস্ততার সাথে ঔষধ ডেলিভারী দেওয়া হয়।


Comments

Popular posts from this blog

কেন পুরুষের দুর্বলতা?

  বিবাহিত পুরুষের জীবনে অনেক পরিবর্তন আসে। বেড়ে যায় কাজ এবং  দায়িত্বও। তাই অতিরিক্ত কাজ করে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে শারীরিক ক্লান্তি আসলে চলবে না। পুরুষত্বহীনতা বা পুরুষের শারীরিক অক্ষমতা বা দুর্বলতা সমাজে প্রকট আকার ধারণ করেছে।    এতে উঠতি বয়সের যুবকরা এতে হতাশ। ফলে অভিভাবকরা বেশ দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। স্বামী হিসেবে স্ত্রীর সব চাহিদা পূরণ করার দায়িত্বও থাকে। তাই এ সময় প্রতিটি বিবাহিত পুরুষেরই নিজেদের প্রতি যত্নশীল হতে হবে।    পুরুষত্বহীনতা : এটি পুরুষের যৌনকার্যে অক্ষমতাকে বুঝায়।   শ্রেণীবিভাগ : পুরুষত্বহীনতাকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়-      * ইরেকশন ফেইলিউর : পুরুষ লিঙ্গের উত্থানে ব্যর্থতা। * পোনিট্রেশন ফেইলিউর : লিঙ্গের যোনিদ্বার ছেদনে ব্যর্থতা। * প্রি-ম্যাচুর ইজাকুলেশন : সহবাসে দ্রুত বীর্য-স্খলন তথা স্থায়ীত্বের অভাব।   প্রধান কারণ হলো-   * বয়সের পার্থক্য * পার্টনারকে অপছন্দ (দেহ-সৌষ্ঠব, ত্বক ও মুখশ্রী) * দুশ্চিন্তা, টেনশন ও অবসাদ বা ডায়াবেটিস * যৌনবাহিত রোগ (সিফিলিস, গনোরিয়া) * রক্তে সেক্স-হরমোনের ভারসাম্যহীনতা * যৌনরোগ বা...

সঙ্গমকালে লিঙ্গ শক্ত না হওয়ার কারন ও সমাধান ( Best Sexologist in Dhaka Near Me )

      যৌন উত্তেজনা কালে বা যৌনতা বিষয়ক চিন্তা ভবনা করা কালে লিঙ্গ শক্ত না হওয়া সমস্যাটি অনেকেরই আছে। হতে পারে এটা তার মনের দুর্বলতা, হতে পারে এটা তার কোন শরীরিক সমস্যা। অনেকই লিঙ্গ ঠিকমত শক্ত না হওয়ার সমস্যায় ভুগছেন। লিঙ্গ শক্ত হয় না তার কারন কি? ( Cure Point Consultancy )   বিয়ের পর অনেকেরই লিঙ্গ উত্তেজনা সংক্রান্ত এমন সমস্যা হয়ে থাকে, ওটা নিয়ে অধিক চিন্তার কোন কারণ নেই, দুশ্চিন্তা পরিত্যাগ করে স্বাভাবিক জীবন যাপন করুন দেখবেন সব ঠিক হয়ে যাবে। লিঙ্গ শক্ত বা উত্তেজিত হচ্ছেনা কেন এটা ভাবতে থাকলে তো আপনার মনে যৌন উত্তেজনাই আসবেনা।   লিঙ্গ উত্তেজিত করার চেষ্টা পরিত্যাগ করুন। মনে যৌন উত্তেজনা এলে লিঙ্গ নিজে থেকেই শক্ততা প্রাপ্ত হয়ে উঠবে।    রাতে ঘুমের মাঝে বা সকালে ঘুম ভাঙ্গার সময় মাঝে মাঝে কি আপনার লিঙ্গ উত্তেজিত বা শক্ত হয়? যদি তাই হয় তো আপনার শারীরিক কোন সমস্যা নেই। এমন না হলেও অনেক ক্ষেত্রেই উত্তেজনার সমস্যার কারণ মূলত মানসিক। তাই আনন্দে থাকার চেষ্টা করুন। বৌকে ভালাবাসুন। এছাড়াও রোজ শারীরিক এক্সারসাইজ করুন ও ঠিকঠাক খাওয়া-দাওয়া করুন। এক্সারসা...

যৌন মিলনের যত উপকারিতা

  নিয়মিত যৌন মিলনের অনেক উপকারিতা রয়েছে। নিয়মিত মিলনে কমবে ক্লান্তি, দুশ্চিন্তা, মেদ। আর উপহার দেবে আরামের ঘুম। সেই সঙ্গে আপনার মন ও মেজাজকে করবে ফুরফুরে। ১। সেক্স চাপ মুক্তি ঘটায়: হ্যাঁ, এটাই সত্যি৷ বায়োলজিক্যাল পার্সপেক্টিভ জার্নালের একটি স্টাডি বলছে, বিভিন্ন বয়সের বেশ কয়েকজন ব্যক্তিকে কিছু চাপের টাস্ক দেওয়া হয়৷ দেখা যায়, কাজটি করার আগে যাঁরা ইন্টারকোর্স বা মিলনে যুক্ত হয়েছেন তাঁরা অনেকটাই স্ট্রেস ফ্রি হয়েছেন। তাদের মনেও আসে ফূর্তি৷ সেই সঙ্গে কমে যায় অবসাদও। ২। মিলন মনের ফূর্তির অন্যতম রসদ: যাঁরা মিলনে লিপ্ত হন তাঁরা ফূর্তিতে থাকেন। ফলে তাঁদের সঙ্গে অন্য কেউ কথা বলেও আরাম পান। একটি পজিটিভ ভাইব্রেশন থাকে তার মধ্যে। ৩। ব্যথার উপশমেও মিলনের গুরুত্ব: শরীরের ব্যথা কমাতে মিলনের গুরুত্ব দারুণ। নিয়মিত যাঁরা ইন্টারকোর্স করেন, তাঁদের শরীরে ব্যথা কম হয়। ব্যথা সারিয়েও দেয় সেক্স। ৪। যৌনতা রক্তচাপ ঠিক রাখার জন্য ভালো। ৫৭ থেকে ৮৫ বছর বয়সে যৌনতায় সক্রিয় নারীরা উচ্চরক্তচাপে ভোগেন না। জার্নাল অফ হেলথ অ্যান্ড সোশাল বিহেভিওর এ প্রকাশিত এক গবেষণায় এমনটাই বলা হয়েছে। পাশাপাশি একটি ট্রোজান এ...