Skip to main content

কিভাবে বুঝবেন সিফিলিস হয়েছে এবং বাঁচার উপায় কী?


 


সিফিলিস একটি যৌনবাহিত রোগ। এই রোগের জীবানুর নাম ট্রেপনোমা প্যালিডাম। অনিয়ন্ত্রিত যৌন মিলন ও সিফিলিস আক্রান্ত কারো সঙ্গে যৌন মিলনে এই রোগ হয়ে থাকে। তবে সিফিলিস আক্রান্ত কারো রক্ত গ্রহণের মাধ্যমেও এই রোগ হয়। আবার গর্ভাবস্থায় মায়ের সিফিলিস থেকে থাকলে সন্তানও এই রোগে আক্রান্ত হতে পারে।

যেসব মানুষ বিভিন্ন শহরে ভ্রমণ করছেন এবং প্রত্যেক শহরে ভিন্ন ভিন্ন শয্যাসঙ্গীর সঙ্গে মিলিত হচ্ছেন, তাদের সিফিলিসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা খুবই বেশি। সাধারণত আক্রান্ত কারো সঙ্গে যৌন মিলনের ২-৪ সপ্তাহ পরে এই রোগের লক্ষণগুলো দেখা দেয়। তবে কারো কারো ক্ষেত্রে ৩ মাস পর্যন্ত দেরি হতে পারে।

কীভাবে বুঝবেন সিফিলিস হয়েছে?

সিফিলিসে আক্রান্ত হলে একেক জনের একেক রকম উপসর্গ দেখা দেয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আলসারের মাধ্যমে ব্যাকটেরিয়া শরীরে প্রবেশ করে। এরপর সারাদেহে ব্রনের মতো গুটি দেখা দেয় এবং তা বড় হতে থাকে। কোনো কোনোটির আকার এক সেন্টিমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।

পুরুষদের ক্ষেত্রে সাধারণত পেনিসে আলসার ধরা পড়ে, নারীদের যোনীতে। এছাড়া নারী ও পুরুষের পায়ুপথ বা মলদ্বারেও আলসার হতে পারে। কারো কারো ঠোঁট এবং জিহ্বাতেও আলসার ধরা পড়ে। এমনকি আঙুলেও ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ হতে পারে। এমনটা হলে বুঝতে হবে সিফিলিসে আক্রান্ত হওয়ার প্রথম পর্যায়ে রয়েছেন।

অনেকেই এই উপসর্গগুলো বুঝতে না পেরে এগুলো এড়িয়ে চলেন। তারা ভাবেন চিকিৎসকের সাহায্য ছাড়াই এগুলো সারিয়ে ফেলতে সক্ষম হবেন। তবে তিন সপ্তাহ পেরিয়ে গেলে কোনোরকম ওষুধ গ্রহণ ছাড়াই আলসার সেরে যায়। কিন্তু তখন সারা শরীরে ফোসকা বা গুটি দেখা দেয়। কোনোটি লাল, কোনোটি গোলাপি আর কোনোটা পোড়া ফোসকার মতো। হাতের তালুতেও দেখা দেয় এই ফোসকা তবে এগুলোতে কোনো চুলকানি হয় না, অ্যালার্জিতে সাধারণত যেটা হয়ে থাকে।

তৃতীয় পর্যায়ে এসে অভ্যন্তরীণ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ আক্রান্ত হয়- যেমন- শ্বাসতন্ত্র, পাকস্থলী, যকৃত, মাংসপেশী এবং হাড়। সবচেয়ে ভয়াবহ হলো যখন সিফিলিস প্রধান আর্টারিকে আক্রান্ত করে। এ সময় মৃত্যুও ঘটতে পারে।

চতুর্থ পর্যায়ে সিফিলিস শরীরে ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ে। হৃদপিণ্ডে জ্বালাপোড়া শুরু হয়, যকৃত বা লিভারের কার্যক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়, শরীরের কিছু অংশ পক্ষাঘাতগ্রস্ত হতে পারে এবং মস্তিষ্কে পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। এছাড়া এই রোগে দৃষ্টিশক্তি কমে যায়, স্নায়ুকোষগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। চিন্তাধারায় পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়।

চিকিৎসা: এই ব্যাকটিরিয়ার সংক্রমণ হয় তাহলে তড়িঘড়ি তা সারানোর জন্য ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া উচিত।

যে কোনো যৌন সমস্যার স্থায়ী সমাধানে কিউর পয়েন্ট ( Cure Point Consultancy )আছে আপনার পাশে । সুতরাং আর দেরী না করে আজই যোগাযোগ করুন।

ডাক্তার এপয়েন্টমেন্ট: 01614-167677, 01616-045632 (সরাসরি অথবা অনলাইনে রোগী দেখা হয়)

আমাদের ঠিকানা: ১২৮২ পূর্ব মনিপুর, Opposite-আল হেলাল হাসপাতাল, বেগম রোকেয়া স্মরণী রোড, মিরপুর, ঢাকা - ১২১৬

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ সারাদেশে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে বিশ্বস্ততার সাথে ঔষধ ডেলিভারী দেওয়া হয়।

Comments

Popular posts from this blog

কেন পুরুষের দুর্বলতা?

  বিবাহিত পুরুষের জীবনে অনেক পরিবর্তন আসে। বেড়ে যায় কাজ এবং  দায়িত্বও। তাই অতিরিক্ত কাজ করে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে শারীরিক ক্লান্তি আসলে চলবে না। পুরুষত্বহীনতা বা পুরুষের শারীরিক অক্ষমতা বা দুর্বলতা সমাজে প্রকট আকার ধারণ করেছে।    এতে উঠতি বয়সের যুবকরা এতে হতাশ। ফলে অভিভাবকরা বেশ দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। স্বামী হিসেবে স্ত্রীর সব চাহিদা পূরণ করার দায়িত্বও থাকে। তাই এ সময় প্রতিটি বিবাহিত পুরুষেরই নিজেদের প্রতি যত্নশীল হতে হবে।    পুরুষত্বহীনতা : এটি পুরুষের যৌনকার্যে অক্ষমতাকে বুঝায়।   শ্রেণীবিভাগ : পুরুষত্বহীনতাকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়-      * ইরেকশন ফেইলিউর : পুরুষ লিঙ্গের উত্থানে ব্যর্থতা। * পোনিট্রেশন ফেইলিউর : লিঙ্গের যোনিদ্বার ছেদনে ব্যর্থতা। * প্রি-ম্যাচুর ইজাকুলেশন : সহবাসে দ্রুত বীর্য-স্খলন তথা স্থায়ীত্বের অভাব।   প্রধান কারণ হলো-   * বয়সের পার্থক্য * পার্টনারকে অপছন্দ (দেহ-সৌষ্ঠব, ত্বক ও মুখশ্রী) * দুশ্চিন্তা, টেনশন ও অবসাদ বা ডায়াবেটিস * যৌনবাহিত রোগ (সিফিলিস, গনোরিয়া) * রক্তে সেক্স-হরমোনের ভারসাম্যহীনতা * যৌনরোগ বা...

যৌন সমস্যার মূল কারণই হলো মানসিক অর্থাৎ মনের ব্যাপার

  যৌন সমস্যার মূল কারণই হলো মানসিক অর্থাৎ মনের ব্যাপার। মানসিক কারণ ছাড়া আর অন্য যে কারণগুলো রয়েছে ওইগুলো হলো ওষুধের প্রভাব। কিছু কিছু শারীরিক রোগ যেমন বহুমূত্র, কিছু কিছু স্নায়বিক সমস্যা, কিছু কিছু মূত্রনালী সংক্রান্ত রোগ ইত্যাদি। তবে আমাদের মূল আলোচ্য বিষয় হলো মনের ব্যাপার নিয়ে। একজন সুস্থ মানুষ তাকেই বলা যায় যিনি শারীরিক, মানসিক এবং সামাজিকভাবে সুস্থ। তেমনি একজন মানুষের সুস্থ যৌন জীবনের জন্য প্রয়োজন পরিপূর্ণ শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা। যে কোনো ধরনের আবেগ বা উদ্বেগ মানুষের সুস্থ যৌনতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। উদ্বেগ হলো মনের কারণের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। যৌন সমস্যা বিয়ের আগে বা পরেও দেখা দিতে পারে। একটি কথা মনে রাখতে হবে যে সুস্থ যৌনজীবনেরও মাঝে মাঝে পারিপার্শ্বিকতার কারণে যৌন সমস্যা দেখা দিতে পারে তবে তা ক্ষণস্থায়ী এবং অনেকটা স্বাভাবিক বলা যেতে পারে। মানুষের সবকিছুতেই একটা কৌতূহল থাকে। সেটা যৌন ক্ষমতার বেলায়ও বাদ যায় না। বিবাহের পূর্বে প্রায় সব ছেলেদের মাঝে একটা ব্যাপার পরিলক্ষিত হয় তা হলো সে যৌনভাবে কতখানি যোগ্য। এ নিয়ে তার চিন্তার শেষ থাকে না। সমস্ত কাজকর্ম পড়াশোনা সবকিছুর মধ্যে ত...

যৌন জীবনে জটিলতা ডায়াবেটিসের কারণে?

    ডায়াবেটিস একটি সাধারণ অবস্থা যা বিশ্বব্যাপী প্রায় 246 মিলিয়ন মানুষকে প্রভাবিত করেছে এবং আগামী বছরগুলিতে আরও বেশি মানুষকে প্রভাবিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই দীর্ঘস্থায়ী অবস্থার ফলে বহু দীর্ঘমেয়াদী এবং স্বল্পমেয়াদী জটিলতা দেখা দিতে পারে।   ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের মধ্যে ব্লাড সুগারের অনিয়ন্ত্রিত মাত্রা পুরুষ এবং মহিলা উভয়েরই শরীরের বিভিন্ন অংশে যেমন নার্ভ থেকে শুরু করে যৌন অঙ্গগুলির মধ্যে প্রভাব ফেলতে পারে। বেশ কয়েকটি গবেষণায় দেখা গেছে, যে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে সাধারণত ত্রুটিপূর্ণ যৌনক্রিয়া দেখা যায়।   ত্রুটিপূর্ণ যৌনক্রিয়া কি?   ত্রুটিপূর্ণ যৌনক্রিয়া এমন একটি সমস্যা যা যে কোনও সময় ঘটতে পারে।সেটা যৌন উত্তেজনার মাঝেও হতে পারে অথবা যৌন ক্রিয়ার সমাপ্তিতেও হতে পারে এবং এর ফলে যৌন তৃপ্তির ক্ষেত্রে অসম্পূর্ণতা থেকে যেতে পারে। ত্রুটিপূর্ণ যৌনক্রিয়ার অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে:   ১.যৌন সম্পর্কে আগ্রহের অভাব ২.যৌন উত্তেজনায় অক্ষমতা ৩.সহবাসের সময় চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছাতে ব্যর্থতা বা বিলম্ব ৪.সহবাসের সময় ব্যথা অনুভব করা   যে কোনো যৌন...