Skip to main content

যৌনমিলনে বেশিরভাগ পুরুষের স্থায়িত্ব মাত্র ২ মিনিট! প্রতিকার কি?


 


স্বামী-স্ত্রী মধ্যে সম্পর্ক কতই না মধুর। নারী-পুরুষের এই মধুর সম্পর্ক আরো বাড়িয়ে তোলে যৌন মিলন। নারী-পুরুষের এই জৈবিক চাহিদা চিরন্তন। এ নিয়ে নানা গবেষণা হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও হবে এ নিয়ে কারো কোন সন্দেহ নেই। তবে এই যৌন মিলন নিয়ে নানা বাগাড়ম্বরও রয়েছে সমাজে, রয়েছে নানা কুসংস্কারও। মিলনে পারদর্শীতা নিয়ে অনেক পুরুষের মধ্যে একটা দাম্ভিকতা কাজ করলেও অনেকের মধ্যে এ নিয়ে রয়েছে নানা দ্বিধাদ্বন্ধ।

মিলনের স্থায়িত্বটা নিজের ইচ্ছাশক্তির ওপর নির্ভর করে না। এটি মূলত নির্ভর করে পুরুষের শারীরিক সক্ষমতার উপর। যৌনমিলনের সময় ৪৫ শতাংশ পুরুষই স্ত্রীকে পুরোপুরি যৌনসুখ দিতে পারছে না। এই শ্রেণীর পুরুষরা যৌন মিলনে দুই মিনিটের বেশি স্থায়ী হতে পারে না। এর ফলে অনেক দাম্পত্য জীবনে অশান্তি নেমে আসে। সুখের সন্ধানে নারীরা অনেক সময় পরপুরুষের দিকে আসক্ত হয়ে পড়ে।

এটার জন্য কি করবেন?

কিছু বিষয় আছে যেগুলো পুরুষের শারীরিক সক্ষমতাকে কমিয়ে দেয়। শুনতে হয়ত আপনার কাছে অদ্ভুত লাগতে পারে যে, ডাক্তারী পরীক্ষায় এ পর্যন্ত এর কারণগুলো ধরা পরে না। যার কারণে এলোপ্যাথিরা কাউন্সিলিং করা, মনোবল বাড়ানো সহ আরো নানা পরামর্শ দিয়ে থাকেন। তাতেও কাজ না করলে তীব্র উত্তেজক ঔষধ দিয়ে থাকেন যার দীর্ঘদিন ব্যবহার মারাত্মক ক্ষতি ডেকে আনে অনেকের।

আর আমাদের দেশের হারবাল, সেতো আরো ভয়াবহ। কারণ ইদানিং পত্রিকার পাতায় নিয়মিত দেখা যায় হারবাল যৌন উত্তেজক ট্যাবলেটে মেশানো হচ্ছে নানা নেশা জাতীয় দ্রবাদি। তার সাথে কুশ্রী কিছু ছবিসহ চটকদার বিজ্ঞাপন “এক ঘন্টায় রেজাল্ট !! একদিনে রেজাল্ট !!” বুঝেন এবার ! এটা কি করে সম্ভব? হা, মাদকের কারণে আপনি এক ঘন্টাই রেজাল্ট নিয়ে কিছুক্ষণ মজা লুটবেন ঠিকই, কিন্তু এটা ক্ষনিকের জন্য, স্থায়ী নয়। কারণ তাৎক্ষণিক ভাবে এগুলো দারুন উত্তেজনার সৃষ্টি করে বলে আপনি নিয়মিত খেতে থাকলে কিছুকাল পরই শরীরের অভ্যন্তরীণ অঙ্গসমূহঃ- কিডনি, পাকস্থলী, লিভারসহ অন্যান্য অঙ্গগুলো মারাত্মক পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ায় আক্রান্ত হতে দেখা যায়। শুধু তাই নয়,কি ছু কাল ঐগুলো কন্টিনিউ করলে আর কোনো উত্তেজক ঔষধ পর্যন্ত কাজ করে না। তাই সময় থাকতে এ বিষয়ে আমাদের সকলেরই সাবধান হওয়া জরুরি।

তাহলে কি এটা ঠিক হওয়ার কোনো উপায় নেই ?

হাঁ, আছে। ঘাবড়ানোর কোন কারণ নাই। যৌন সংক্রান্ত যে কোনো সমস্যা চিরদিনেরজন্য নির্মূলের সবচেয়ে আধুনিক এবং উত্তম পথ হলো হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা গ্রহণ করা। কারণ হোমিও ঔষধের অধিকতর প্রয়োগ হয়ে থাকে রোগীর Characteristic Symptoms এর উপর নির্ভর করে। যা শারীরিক সক্ষমতা সহ মানুষের মন-মানষিকতা পর্যন্ত পরিবর্তন করে দেয় কোন প্রকার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়াই। তাও আবার অল্প কিছু দিনের চিকিৎসায় রোগী রোগ মুক্ত হচ্ছেন সারা জীবনের জন্য। গোপন বিষয় হলো, হোমিও ঔষধ একেবারে রুট লেভেল থেকে রোগের কারণটাকে নির্মূল করে দেয়। যার ফলে ঐ রোগ সংক্রান্ত যত প্রকার লক্ষণ শরীরে প্রকাশ পায় তা এমনিতেই বিলীন হয়ে যায়।

তাই যারা এ সমস্যায় আক্রান্ত আপনার বিস্তারিত আমাদের জানান অথবা ভাল কোন হোমিওপ্যাথের সাথে কথা বলুন এবং চিকিৎসা নিন। আমার দৃঢ়বিশ্বাস চিকিৎসক ঔষধ সিলেকশনে কোনো প্রকার ভুল না করলে আপনি খুব তাড়াতাড়িই এই সমস্যা থেকে চির দিনের জন্য আরোগ্য লাভ করবেন ইনশাল্লাহ্।


Comments

Popular posts from this blog

কী কী কারণে যৌন মিলনে ভয় পান মেয়েরা

  সারা দিনে নানারকম চাপ নিতে নিতে ক্লান্ত শরীর-মন মুক্তি খোঁজে বিছানায়। প্রিয় মানুষটির সান্নিধ্যে, ঘনিষ্ঠতায় মনের ক্লান্তি দূর হয়ে যায়। চিকিৎসক ও মনোবিজ্ঞানীরাও বলেন, শারীরিক সম্পর্ক শরীর-মনের ক্লান্তি দূর করতে সক্ষম। কিন্তু যদি পরিস্থিতিটাই উলটো হয়? যদি শারীরিক সম্পর্কের কথা ভাবলেই একটা নতুন স্ট্রেস তৈরি হয় মনে? এমন অনেক মেয়ে আছেন যাঁরা বিছানায় স্বামী বা পার্টনারের সঙ্গে শারীরিক ঘনিষ্ঠতার কথা ভেবেই টেনশনে ভুগতে থাকেন! বিশেষজ্ঞেরা বলছেন, আসলে তাঁদের মাথায় এমন অনেক স্ট্রেস ফ্যাক্টর কাজ করতে থাকে যার ফলে তাঁরা আর শারীরিক ঘনিষ্ঠতা বা যৌনতার মজাটা উপভোগই করতে পারেন না। ব্যথা হওয়ার ভয়: সেক্স করলে অনেক মেয়েই ব্যথা পাওয়ার কথা বলেন। তা ছাড়া যথেষ্ট ফোরপ্লে না করলে বা যৌনমিলনেই অনীহা থাকলে ভ্যাজাইনা যথেষ্ট লুব্রিকেটেড থাকে না বলে ব্যথা লাগতে পারে। ফলে অনেক মেয়ে যৌন সম্পর্কের পরিস্থিতি তৈরি হলেই আড়ষ্ট হয়ে যান। শারীরিক গঠন নিয়ে সংকোচ: বহু মেয়ে নিজেদের শারীরিক গঠন নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন। শরীর নিয়ে অস্বস্তি, শারীরিক সৌষ্ঠব সঙ্গীর পছন্দ হবে কিনা, তা নিয়ে তাঁদের মনে সংশয় থাকে। ফলে সেক্স নিয়ে...

কেন পুরুষের দুর্বলতা?

  বিবাহিত পুরুষের জীবনে অনেক পরিবর্তন আসে। বেড়ে যায় কাজ এবং  দায়িত্বও। তাই অতিরিক্ত কাজ করে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে শারীরিক ক্লান্তি আসলে চলবে না। পুরুষত্বহীনতা বা পুরুষের শারীরিক অক্ষমতা বা দুর্বলতা সমাজে প্রকট আকার ধারণ করেছে।    এতে উঠতি বয়সের যুবকরা এতে হতাশ। ফলে অভিভাবকরা বেশ দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। স্বামী হিসেবে স্ত্রীর সব চাহিদা পূরণ করার দায়িত্বও থাকে। তাই এ সময় প্রতিটি বিবাহিত পুরুষেরই নিজেদের প্রতি যত্নশীল হতে হবে।    পুরুষত্বহীনতা : এটি পুরুষের যৌনকার্যে অক্ষমতাকে বুঝায়।   শ্রেণীবিভাগ : পুরুষত্বহীনতাকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়-      * ইরেকশন ফেইলিউর : পুরুষ লিঙ্গের উত্থানে ব্যর্থতা। * পোনিট্রেশন ফেইলিউর : লিঙ্গের যোনিদ্বার ছেদনে ব্যর্থতা। * প্রি-ম্যাচুর ইজাকুলেশন : সহবাসে দ্রুত বীর্য-স্খলন তথা স্থায়ীত্বের অভাব।   প্রধান কারণ হলো-   * বয়সের পার্থক্য * পার্টনারকে অপছন্দ (দেহ-সৌষ্ঠব, ত্বক ও মুখশ্রী) * দুশ্চিন্তা, টেনশন ও অবসাদ বা ডায়াবেটিস * যৌনবাহিত রোগ (সিফিলিস, গনোরিয়া) * রক্তে সেক্স-হরমোনের ভারসাম্যহীনতা * যৌনরোগ বা...

প্রথম মিলনের আগে এই বিষয়গুলি মাথায় না রাখলেই নয়

  প্রেমের আসার কোনও দিনক্ষণ নেই। কখন, কোথায়, কীভাবে, কতবার হবে তা কেউ বলতে পারে না। তবে যতবারই আসুক সেই প্রথমবারের প্রথম ছোঁয়ার ব্যাপারই আলাদা। সেই অনুভূতি জীবনে আর কোনওদিন ফিরে আসে না। আবেগের সেই মুহূর্তেও কিন্তু একটু সাবধান থাকতে হয়। আনকোরা শরীরের ছোঁয়া যেন বিপদ হয়ে না দাঁড়ায়। আবার মিলনের আনন্দও যেন এতটুকু কম না হয়। খেয়াল তো রাখতেই হবে। তাই রইলো কিছু পরামর্শ :- ১) নিরাপত্তা- যৌন সম্পর্কের ক্ষেত্রে এটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রথমেই বলে নেওয়া ভাল। সঙ্গীর সঙ্গে প্রথমবার মিলনের আগে অবশ্য যৌনতা সম্পর্কে ভালভাবে জেনে নেবেন। আর প্রয়োজনীয় নিরোধ ব্যবহার করবেন। অযাচিত যৌনরোগ কোনও ক্ষেত্রেই কাম্য নয়। ২) উৎসাহ – সঙ্গমের ক্ষেত্রে দুই পক্ষেরই সমান উৎসাহ থাকা বাঞ্ছনীয়। আপনার যতটা আগ্রহে সঙ্গীর সাড়া দেওয়াটাও আবশ্যক। কেবলমাত্র করতে হবে বলেই যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হবেন না। তা উপভোগ করবেন। আর খেয়াল রাখবেন যেন আপনার সঙ্গীও তা উপভোগ করেন। ৩) নিয়ন্ত্রণ- উৎসাহ ভাল কিন্তু অতিরিক্ত উৎসাহ আবার ভাল না। সঙ্গমের মাঝে নিঃশ্বাস নিতে ভুলবেন না। অনেকেই আবেগের তোড়ে ভেসে যান। এই কাজটি করবেন না। যতক্ষণ পারবেন সঙ...