Skip to main content

হস্তমৈথুনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

 



বেড়ে ওঠার বয়সগুলোতে বা তার পরবর্তী জীবনেও স্বতঃস্ফূর্ততা বা নিজেকে আনন্দ প্রদান করা খুবই স্বাভাবিক একটি প্রক্রিয়া। ডাক্তাররা এই সময় স্বাস্থ্য সচেতন থাকার পরামর্শ দেন। অনেক সময়ই যৌন অনুভূতিগুলো উপশম করার বা দমন করার একটি ভালো উপায় হল হস্তমৈথুন প্রক্রিয়া। যাই হোক না কেন যখন মানুষ (নারী ও পুরুষ উভয়ই) ঐ প্রক্রিয়ার আসক্ত হয়ে এবং স্বতঃস্ফূর্ততার উপর নির্ভর হয়ে পরে।
এটা একটি আনন্দদায়ক প্রক্রিয়া এবং অনেকসময় কিশোরকালে এটা একটা আসক্তিতে পরিণত হতে পারে। মানুষ অনেকসময়ই একাকীত্ম কাটাতে বা অবসাদ কাটাতে ঝোঁকের বসে নিজেকে যৌন উত্তেজিত করে তোলে। সপ্তাহে তিন থেকে চার দিন এই প্রক্রিয়াটি করাটা স্বাভাবিক। কিন্তু দিনে যদি বারবার এই প্রক্রিয়াটি করতে ইচ্ছে করে তাহলে সেটা চিন্তার বিষয় হয়ে দাড়াবে। ২০ এর মধ্যে বয়স চলাকালীন কারোর অতিরিক্ত হস্তমৈথুন অব্যাহত থাকলে শারীরিক ও মানসিক অনেক সমস্যার সৃষ্টি হয়।
উদ্বেগ:
হস্তমৈথুন মানুষকে ভীষণই আরামদায়ক অবস্থানে রাখে এবং যেখানে যখন কোনও সঙ্গীর সাথে করার পালা আসে , তখন আকার, স্ট্যামিনা এবং অংশীদারকে খুশি করার উপায়গুলি নিয়ে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়ে থাকে। অতিরিক্ত হস্তমৈথুনকারীদের মধ্যে কর্মক্ষমতা সম্পর্কিত উদ্বেগ খুব বেশী হতে পারে। এই অভ্যাসের সাথে পুরুষ এবং মহিলা উভয় যৌন ক্লান্তি এবং পুনরাবৃত্তি জননসম্পর্কিত সংক্রমণ রোগের সম্মুখীন হতে পারে।
দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তি:
হস্তমৈথুন স্টেরয়েড হরমোন ও কর্টিসোল উৎপাদন করে। এটা বিপাকের হার বৃদ্ধি করে এবং ক্লান্তি ও অবসাদের অনুভূতি বৃদ্ধি করে।
পিঠে ব্যথা বা অস্বস্তিঃঅতিরিক্ত হস্তমৈথুন অক্সিটোসিন, ডিএইচএ, টেস্টোস্টেরন এবং ডি এইচ টি এর উৎপাদন কমায়। এই নিউরোকেমিক্যালস বা স্নায়বিক রাসায়নিক পদার্থগুলির কম ক্ষরণের ফলে প্রদাহজনক হরমোন প্রোস্টেটগ্লিনিন ই ২ ক্ষরিত হয়, যা কোমরে ব্যথা বা পিঠের নীচে ব্যথার একটি উৎস।
কুঁচকি অথবা টেস্টিকুলার অস্বস্তি ও ব্যথাঃপিটুইটারি-অ্যাড্রেনাল-টেস্টিকুলার গ্রন্থিগুলির মধ্যে প্রাচীরগাত্রে একটি ছিদ্র রয়েছে , যা অক্সিটোসিন এবং টেস্টোস্টেরন উৎপাদনের করে।এর মধ্যে প্রদাহবিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে এবং অতিরিক্ত হস্তমৈথুন এই হরমোনের উৎপাদন কমায়। এর ফলে কুঁচকিতে ব্যথা বাড়ে এবং অন্ডকোষে ক্রমবর্ধমানে ছড়িয়ে যায় ও দীর্ঘস্থায়ীকাল পর্যন্ত স্থিতিশীল হয়।
লিঙ্গ সংকোচন:
জীবনের শুরুর দিকে, শরীরের বৃদ্ধি হরমোনগুলি অতিরিক্ত হস্তমৈথুন দ্বারা হ্রাস পায়। এটি লিঙ্গকে পূর্ণ আকারে বাড়ানোর জন্য অপর্যাপ্ত পরিমাণে হরমোন লাগে, যার ফলে এটি একটি ছোট অঙ্গতে গঠিত হয়।
অকাল বীর্যপাত:
আবার টেস্টোস্টেরন এবং অন্যান্য নিউরোট্রান্সমিটারগুলি যেমন:- ডোপামাইন এবং সেরোটোনিন সহ হরমোনগুলির হ্রাস একটি দুর্বল প্যারাসিম্প্যাথেটিক স্নায়ুতন্ত্রের দিকে পরিচালিত করে।এর ফলে একটি দুর্বল উত্থান , শুক্রাণুতে ফুটো, এবং অকাল বীর্যপাত হয়।
চূল পড়ে যাওয়া:
হরমোন এবং নিউরোট্রান্সমিটার প্রতিক্রিয়ার ফলে শরীরের প্রোল্যাক্টিন এবং ডিএইচএ উচ্চ মাত্রায় বাড়ে, যা চুলের পড়ে যাওয়ার দিকে পরিচালিত করে।
অতিরিক্ত-হস্তমৈথুনের অনেকগুলি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে এবং আপনি যখন বুঝতে শুরু করেন যে এটি একটি সমস্যা তখন তার উপসর্গগুলো চিহ্নিত করা ভাল। আপনি যদি কোন নির্দিষ্ট সমস্যা নিয়ে আলোচনা করতে চান তবে আপনি যৌন বিশেষজ্ঞের সাথে পরামর্শ করতে পারেন।
যে কোনো যৌন সমস্যার স্থায়ী সমাধানে কিউর পয়েন্ট ( Cure Point Consultancy ) আছে আপনার পাশে । সুতরাং আর দেরী না করে আজই যোগাযোগ করুন।
ডাক্তার এপয়েন্টমেন্ট: +8801614167677 (সরাসরি অথবা অনলাইনে রোগী দেখা হয়)
আমাদের ঠিকানা: ১২৮২ পূর্ব মনিপুর, Opposite-আল হেলাল হাসপাতাল, বেগম রোকেয়া স্মরণী রোড, মিরপুর, ঢাকা - ১২১৬
বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ সারাদেশে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে বিশ্বস্ততার সাথে ঔষধ ডেলিভারী দেওয়া হয়।

Comments

Popular posts from this blog

কী কী কারণে যৌন মিলনে ভয় পান মেয়েরা

  সারা দিনে নানারকম চাপ নিতে নিতে ক্লান্ত শরীর-মন মুক্তি খোঁজে বিছানায়। প্রিয় মানুষটির সান্নিধ্যে, ঘনিষ্ঠতায় মনের ক্লান্তি দূর হয়ে যায়। চিকিৎসক ও মনোবিজ্ঞানীরাও বলেন, শারীরিক সম্পর্ক শরীর-মনের ক্লান্তি দূর করতে সক্ষম। কিন্তু যদি পরিস্থিতিটাই উলটো হয়? যদি শারীরিক সম্পর্কের কথা ভাবলেই একটা নতুন স্ট্রেস তৈরি হয় মনে? এমন অনেক মেয়ে আছেন যাঁরা বিছানায় স্বামী বা পার্টনারের সঙ্গে শারীরিক ঘনিষ্ঠতার কথা ভেবেই টেনশনে ভুগতে থাকেন! বিশেষজ্ঞেরা বলছেন, আসলে তাঁদের মাথায় এমন অনেক স্ট্রেস ফ্যাক্টর কাজ করতে থাকে যার ফলে তাঁরা আর শারীরিক ঘনিষ্ঠতা বা যৌনতার মজাটা উপভোগই করতে পারেন না। ব্যথা হওয়ার ভয়: সেক্স করলে অনেক মেয়েই ব্যথা পাওয়ার কথা বলেন। তা ছাড়া যথেষ্ট ফোরপ্লে না করলে বা যৌনমিলনেই অনীহা থাকলে ভ্যাজাইনা যথেষ্ট লুব্রিকেটেড থাকে না বলে ব্যথা লাগতে পারে। ফলে অনেক মেয়ে যৌন সম্পর্কের পরিস্থিতি তৈরি হলেই আড়ষ্ট হয়ে যান। শারীরিক গঠন নিয়ে সংকোচ: বহু মেয়ে নিজেদের শারীরিক গঠন নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন। শরীর নিয়ে অস্বস্তি, শারীরিক সৌষ্ঠব সঙ্গীর পছন্দ হবে কিনা, তা নিয়ে তাঁদের মনে সংশয় থাকে। ফলে সেক্স নিয়ে...

কেন পুরুষের দুর্বলতা?

  বিবাহিত পুরুষের জীবনে অনেক পরিবর্তন আসে। বেড়ে যায় কাজ এবং  দায়িত্বও। তাই অতিরিক্ত কাজ করে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে শারীরিক ক্লান্তি আসলে চলবে না। পুরুষত্বহীনতা বা পুরুষের শারীরিক অক্ষমতা বা দুর্বলতা সমাজে প্রকট আকার ধারণ করেছে।    এতে উঠতি বয়সের যুবকরা এতে হতাশ। ফলে অভিভাবকরা বেশ দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। স্বামী হিসেবে স্ত্রীর সব চাহিদা পূরণ করার দায়িত্বও থাকে। তাই এ সময় প্রতিটি বিবাহিত পুরুষেরই নিজেদের প্রতি যত্নশীল হতে হবে।    পুরুষত্বহীনতা : এটি পুরুষের যৌনকার্যে অক্ষমতাকে বুঝায়।   শ্রেণীবিভাগ : পুরুষত্বহীনতাকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়-      * ইরেকশন ফেইলিউর : পুরুষ লিঙ্গের উত্থানে ব্যর্থতা। * পোনিট্রেশন ফেইলিউর : লিঙ্গের যোনিদ্বার ছেদনে ব্যর্থতা। * প্রি-ম্যাচুর ইজাকুলেশন : সহবাসে দ্রুত বীর্য-স্খলন তথা স্থায়ীত্বের অভাব।   প্রধান কারণ হলো-   * বয়সের পার্থক্য * পার্টনারকে অপছন্দ (দেহ-সৌষ্ঠব, ত্বক ও মুখশ্রী) * দুশ্চিন্তা, টেনশন ও অবসাদ বা ডায়াবেটিস * যৌনবাহিত রোগ (সিফিলিস, গনোরিয়া) * রক্তে সেক্স-হরমোনের ভারসাম্যহীনতা * যৌনরোগ বা...

প্রথম মিলনের আগে এই বিষয়গুলি মাথায় না রাখলেই নয়

  প্রেমের আসার কোনও দিনক্ষণ নেই। কখন, কোথায়, কীভাবে, কতবার হবে তা কেউ বলতে পারে না। তবে যতবারই আসুক সেই প্রথমবারের প্রথম ছোঁয়ার ব্যাপারই আলাদা। সেই অনুভূতি জীবনে আর কোনওদিন ফিরে আসে না। আবেগের সেই মুহূর্তেও কিন্তু একটু সাবধান থাকতে হয়। আনকোরা শরীরের ছোঁয়া যেন বিপদ হয়ে না দাঁড়ায়। আবার মিলনের আনন্দও যেন এতটুকু কম না হয়। খেয়াল তো রাখতেই হবে। তাই রইলো কিছু পরামর্শ :- ১) নিরাপত্তা- যৌন সম্পর্কের ক্ষেত্রে এটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রথমেই বলে নেওয়া ভাল। সঙ্গীর সঙ্গে প্রথমবার মিলনের আগে অবশ্য যৌনতা সম্পর্কে ভালভাবে জেনে নেবেন। আর প্রয়োজনীয় নিরোধ ব্যবহার করবেন। অযাচিত যৌনরোগ কোনও ক্ষেত্রেই কাম্য নয়। ২) উৎসাহ – সঙ্গমের ক্ষেত্রে দুই পক্ষেরই সমান উৎসাহ থাকা বাঞ্ছনীয়। আপনার যতটা আগ্রহে সঙ্গীর সাড়া দেওয়াটাও আবশ্যক। কেবলমাত্র করতে হবে বলেই যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হবেন না। তা উপভোগ করবেন। আর খেয়াল রাখবেন যেন আপনার সঙ্গীও তা উপভোগ করেন। ৩) নিয়ন্ত্রণ- উৎসাহ ভাল কিন্তু অতিরিক্ত উৎসাহ আবার ভাল না। সঙ্গমের মাঝে নিঃশ্বাস নিতে ভুলবেন না। অনেকেই আবেগের তোড়ে ভেসে যান। এই কাজটি করবেন না। যতক্ষণ পারবেন সঙ...