ঘুম হল আমাদের শরীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া। মানুষ ছাড়াও পৃথিবীর সকল প্রাণী তাদের জীবন দশার অনেকটা সময় ঘুমের মাধ্যমে অতিবাহিত করে। প্রতিটি পূর্ণ বয়ষ্ক মানুষের দৈনিক ৭-৮ঘন্টা ঘুমের প্রয়োজন।
বর্তমান আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির সময়ে আমাদের দৈনিক ঘুমের পরিমান অনেক কমে যাচ্ছে।
১. অতিরিক্ত কাজ ও পড়াশোনার চাপ :
বর্তমান সময়ে আমাদের দৈনিক কাজকর্ম ও পড়াশোনার জন্য অনেক সময় ধরে রাত জাগতে হচ্ছে এতে। আমরা প্রয়োজন মাফিক ঘুম থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। যা আমাদের শারীরিক ও মানষিক স্বাস্থ্যের অবনতির কারণ। তাই আমাদের রাতের কাজ ও পড়াশোনার জন্য দিনের বিকল্প সময় বের করতে হবে এবং সঠিক সময় ঘুমনোর অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।
২. রাত জেগে সোশাল মিডিয়ার ব্যবহার :
বর্তমান সময় আমরা প্রায় সবাই কম বেশি রাত জেগে সোশাল মিডিয়া, ইউটিউব ইত্যাদি ব্যবহার করে থাকি। এতে আমাদের ব্যপক ভাবে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটছে। আমাদের তাই রাত জেগে সোশাল মিডিয়ার ব্যবহার কমিয়ে দিতে হবে।
৩. দুশ্চিন্তা :
বর্তমানে এই প্রতিযোগিতাময় পৃথিবীতে প্রত্যেক মানুষকে কোন না কোন বিষয় নিয়ে দুশ্চিন্তা করতে হয়। আর এই দুশ্চিন্তা মানুষের রাতের ঘুমের উপর ব্যাপক আঘাত ফেলে। যা থেকে জটিল জটিল রোগ সৃষ্টি হতে পারে তাই আমাদের দুশ্চিন্তা মুক্ত থাকার চেষ্টা করতে হবে।
৪. মাত্রা অতিরিক্ত ঘুমের ঔষধ সেবন :
সাধারণত একটু বিষয়ে ঘুমের ঔষধের ব্যবহার বা ওভার ডোজের কারনে মানুষের ঘুমের ব্যাঘাত ঘটতেছে। ঘুমের ওষুধ সামান্য সময়ের জন্য ঘুমের উপকার করলেও তা দীর্ঘসময়ের জন্য শরীরে খারাপ প্রভাব সৃষ্টি করে। তাই
অতি প্রয়োজন ছাড়া ঘুমের ঔষধ সেবন থেকে বিরত থাকা।
৫. চা/ কফি পান :
বিশেষত যারা অতিরিক্ত চা, কফি পান করেন তাদের রাতে ঘুম আসতে চায় না। তাই চা, কফি পরিমিত ভাবে পান করার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।
৬. মাদক সেবন :
মাদক মানব শরীরে অনেক ক্ষতিকর প্রভাব সৃষ্টি করে থাকে। মাদকের প্রভাবে ব্যপক ভাবে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। তাই মাদক কে না বলুন, সুস্থ সুন্দর জীবন গড়ুন।

Comments
Post a Comment