Skip to main content

নারীদের যৌন অনীহার লক্ষণ, কারণ ও প্রতিকার ( Best Sexologist in Dhaka Near Me )



নারীর যৌন আকাঙ্খা কম থাকাকে যৌন দুর্বলতা অথবা 'ফিমেল সেক্সুয়াল এ্যরুসাল ডিজওর্ডার' বলা হয়। স্বাভাবিকভাবেই, বেশিরভাগ নারীর এ সমস্য খুবই ক্ষণস্থায়ী। Cure Point Consultancy অনেক নারী নিজ থেকেই এ সমস্যা কাটিয়ে উঠতে পারে। কিন্তু যারা পারে না তাদের বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নেয়ার প্রয়োজন পড়তে পারে। যৌন অনীহা নারীর ক্ষেত্রে সচরাচর এবং পুরুষের ক্ষেত্রে বিরল।

 

নারীর যৌন অনীহার কারন কী?

 

নারীর যৌন অনীহা শারীরিক কিংবা মানসিক উভয় কিংবা যেকোনো একটি কারণে হতে পারে।

 

শারীরিক কারণ:

 

* রক্ত স্বল্পতা, যা নারীদের মাসিক ঋতুচক্রকালীন রক্তে আয়রনের পরিমাণ হ্রাস পাওয়া থেকে প্রকট হয়। Best Sexologist in Dhaka Near Me

* মদ্যপানে আসক্তি।

* ডায়াবেটিস জাতীয় রোগ।

* সন্তান প্রসব: সন্তান প্রসবের পরবর্তী কিছু সময়কাল নারীর যৌন আকঙ্খা সম্পূর্ণ হারিয়ে যায়। এটি  শরীরে হরমোনাল পরিবর্তনের সাথে প্রায় সরাসরি জড়িত। বেশির ভাগ নারী সন্তান জন্মদেবার পর মানসিকভাবে অনেকটা বিক্ষিপ্ত থাকেন তাই তারা মিলন নিয়ে চিন্তা করার অবকাশ পান না।

* এছাড়া কিছু ঔষধের পাশ্বপ্রতিক্রিয়াতেও নারী যৌন আকাংখা হারাতে পারেন। Best Sexologist in Dhaka Near Me

 

মনস্তাত্ত্বিক কারণ:

 

* অবসাদ কিংবা বিষণ্ণতা।


* দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হওয়া: Best Sexologist in Dhaka Near Me

যখন নারী দুশ্চিন্তাগ্রস্ত থাকে তখন এ্যডরিনাল (মুত্র) গ্রন্থি ইষ্ট্রোজেন এবং টেষ্ট্রোষ্টিরন হরমোন সৃষ্টিতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। ইষ্ট্রোজেন এবং টেষ্ট্রোষ্টিরন হরমোনই নারী শরীরে যৌন আকাঙ্খা উৎপন্ন করে।

* উদ্বিগ্নতা।

* শিশুসুলভ মনোভাবের পুনর্জন্ম।

* স্বামীর সাথে প্রচণ্ড মানসিক বিবাদ।

 

যৌন অনীহায় নারীর করণীয়: Best Sexologist in Dhaka Near Me

 

আপনি যদি অনুমান করতে না পারেন যৌনকর্মে আপনার অনীহার কারন কী তাহলে ডাক্তারের সাথে দেখা করুন। পরিবার পরিকল্পনা অফিসের নারী কর্মীও আপনাকে এ ব্যপারে সহযোগীতা করতে পারেন। কিছুক্ষেত্রে ডায়াগোনোসিসের প্রয়োজন পড়তে পারে।

 

স্বামীর করণীয়: Best Sexologist in Dhaka Near Me

 

স্বামী যদি অনুমান করতে পারেন যৌনকর্মে স্ত্রীর অনীহা, তাহলে স্ত্রীকে সথেষ্ট সময় দিতে হবে। কিছুতেই স্ত্রীকে ছেড়ে অন্য নারীর সঙ্গে যৌনসম্পর্ক স্থাপন করা যাবে না।


Comments

Popular posts from this blog

কেন পুরুষের দুর্বলতা?

  বিবাহিত পুরুষের জীবনে অনেক পরিবর্তন আসে। বেড়ে যায় কাজ এবং  দায়িত্বও। তাই অতিরিক্ত কাজ করে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে শারীরিক ক্লান্তি আসলে চলবে না। পুরুষত্বহীনতা বা পুরুষের শারীরিক অক্ষমতা বা দুর্বলতা সমাজে প্রকট আকার ধারণ করেছে।    এতে উঠতি বয়সের যুবকরা এতে হতাশ। ফলে অভিভাবকরা বেশ দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। স্বামী হিসেবে স্ত্রীর সব চাহিদা পূরণ করার দায়িত্বও থাকে। তাই এ সময় প্রতিটি বিবাহিত পুরুষেরই নিজেদের প্রতি যত্নশীল হতে হবে।    পুরুষত্বহীনতা : এটি পুরুষের যৌনকার্যে অক্ষমতাকে বুঝায়।   শ্রেণীবিভাগ : পুরুষত্বহীনতাকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়-      * ইরেকশন ফেইলিউর : পুরুষ লিঙ্গের উত্থানে ব্যর্থতা। * পোনিট্রেশন ফেইলিউর : লিঙ্গের যোনিদ্বার ছেদনে ব্যর্থতা। * প্রি-ম্যাচুর ইজাকুলেশন : সহবাসে দ্রুত বীর্য-স্খলন তথা স্থায়ীত্বের অভাব।   প্রধান কারণ হলো-   * বয়সের পার্থক্য * পার্টনারকে অপছন্দ (দেহ-সৌষ্ঠব, ত্বক ও মুখশ্রী) * দুশ্চিন্তা, টেনশন ও অবসাদ বা ডায়াবেটিস * যৌনবাহিত রোগ (সিফিলিস, গনোরিয়া) * রক্তে সেক্স-হরমোনের ভারসাম্যহীনতা * যৌনরোগ বা...

কী কী কারণে যৌন মিলনে ভয় পান মেয়েরা

  সারা দিনে নানারকম চাপ নিতে নিতে ক্লান্ত শরীর-মন মুক্তি খোঁজে বিছানায়। প্রিয় মানুষটির সান্নিধ্যে, ঘনিষ্ঠতায় মনের ক্লান্তি দূর হয়ে যায়। চিকিৎসক ও মনোবিজ্ঞানীরাও বলেন, শারীরিক সম্পর্ক শরীর-মনের ক্লান্তি দূর করতে সক্ষম। কিন্তু যদি পরিস্থিতিটাই উলটো হয়? যদি শারীরিক সম্পর্কের কথা ভাবলেই একটা নতুন স্ট্রেস তৈরি হয় মনে? এমন অনেক মেয়ে আছেন যাঁরা বিছানায় স্বামী বা পার্টনারের সঙ্গে শারীরিক ঘনিষ্ঠতার কথা ভেবেই টেনশনে ভুগতে থাকেন! বিশেষজ্ঞেরা বলছেন, আসলে তাঁদের মাথায় এমন অনেক স্ট্রেস ফ্যাক্টর কাজ করতে থাকে যার ফলে তাঁরা আর শারীরিক ঘনিষ্ঠতা বা যৌনতার মজাটা উপভোগই করতে পারেন না। ব্যথা হওয়ার ভয়: সেক্স করলে অনেক মেয়েই ব্যথা পাওয়ার কথা বলেন। তা ছাড়া যথেষ্ট ফোরপ্লে না করলে বা যৌনমিলনেই অনীহা থাকলে ভ্যাজাইনা যথেষ্ট লুব্রিকেটেড থাকে না বলে ব্যথা লাগতে পারে। ফলে অনেক মেয়ে যৌন সম্পর্কের পরিস্থিতি তৈরি হলেই আড়ষ্ট হয়ে যান। শারীরিক গঠন নিয়ে সংকোচ: বহু মেয়ে নিজেদের শারীরিক গঠন নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন। শরীর নিয়ে অস্বস্তি, শারীরিক সৌষ্ঠব সঙ্গীর পছন্দ হবে কিনা, তা নিয়ে তাঁদের মনে সংশয় থাকে। ফলে সেক্স নিয়ে...

হস্তমৈথুন করে বীর্য আটকে রাখলে কি হয় ?

  যে সকল ছেলেরা হাত দ্বারা মৈথুন করেন কিংবা শরীর থেকে শুক্রাণু বের করে, তারা অনেকেই হাত দ্বারা মৈথুন করলে শরীরে কি কি ক্ষতি হতে পারে সকল বিষয়ে অবগত নয় বা বেশি কিছু জানে না। আর সঠিক যৌন শিক্ষা কিংবা যৌণতা সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান না থাকার কারণে এবং ছেলেরা মনে করে শুধুমাত্র হাত দ্বারা মৈথুন করে শরীর থেকে শুক্রাণু বের করলেই এটা শরীরের জন্য ক্ষতি। তাই অনেকে হাত দ্বারা মৈথুন করে ঠিকই কিন্তু শরীর থেকে শুক্রাণু বের করে না।   তারা মনে করে শরীর থেকে শুক্রাণু বের না করলে তাদের শরীরের আর অন্যান্য কোন ক্ষতি হবে না। আসলে এই বিষয়টা প্রত্যেকটা অবিবাহিত ছেলেদের জেনে রাখা প্রয়োজন, কেননা প্রত্যেকটি ছেলে কখনও না কখনও হাত ধরে মৈথুন করে এভাবে শরীর থেকে শুক্রাণু বের করতে থাকে।   কোন ছেলে প্রতিদিন তিন চার বার তো দূরের কথা একবার যদি হাত দ্বারা হস্তমৈথুন করে তাহলে ভবিষ্যতে তার লিঙ্গে নানা রকম সমস্যা দেখা দিবে। হস্তমৈথুনের পরে সে বীর্যপাত করুক বা না করুক ক্ষতি যা হবার তা তো হবেই।একটি ছেলে সে যখন হস্তমৈথুন করে বা তার লিঙ্গের ঘষাঘষি করে বা চাপ দেয় ঠিক একইভাবে বিছানায় ঘষাঘষি করে হস্তমৈথুন করে তখনো ক...